আমার উইন্ডোজ ভিস্তা

উইন্ডোজ বানানটা মনেহয় ভূল লিখলাম। মাইক্রোসফট অনেক গবেষণা করে ঠিক করেছে উইন্ডোজ বানান হওয়া উচিৎ উইন্ডোস। দেখা যাক, আমাদের দেশে কি হিসেবে গণ্য হয়। :)

ভিস্তার সর্বশেষ সংস্করন হচ্ছে ভিস্তা রিলিজ ক্যান্ডিটেড ১ = মুক্তি পাওয়ার জন্য প্রস্তুত ভার্সনের প্রথম। আমাকে সবসময়ই এরা একটা করে ডিভিডি পাঠিয়ে দেয়। তবে stable না হওয়ায় এটা ইনস্টলে আমি সেরকম আগ্রহী ছিলাম না। প্রথমবার লংহর্ন থাকতে একবার ইনস্টল করেছিলাম আর মাঝে দু’বার বাংলা পরীক্ষা করার জন্য ইনস্টল করেছিলাম আমার বাড়ীর পিসিটাতে। আমার ব্যবহৃত ঐ একটা পিসিই ভিস্তা চালাতে সক্ষম ছিলো। কেনো? এখানে দেখুন… আরও জানার জন্য।

ক’দিন আগে ইনস্টল করলাম এই রিলিজ ক্যান্ডিটেড ১ আমার অফিসের পিসিতে। আমি তো অবাক এটার পারফর্মেন্স দেখে। দুর্দান্ত! পিসিটি AMD Athlon 64 bit প্রসেসর, ১ গিগা মেমরী এবং ২৫৬ মেগাবাইট মেমরী সম্বলিক এনভিডিয়া জি-ফোর্স এফএক্স ৫২০০ গ্রাফিক কার্ড।

অমি আজাদের উইন্ডোজ �িস্তা ডেস্কটপ
আমার উইন্ডোজ ভিস্তা ডেস্কটপটা দেখতে কিছুটা এরকম

ভিস্তায় এবার যোগ হয়েছে এ্যরো নামের একটি ইফেক্ট। গ্রাফিক্স কার্ড যদি ভালো হয় তাহলে এই ইফেক্টের মাধ্যমে ডেস্কটপ উইন্ডোগুলিকে কাঁচের মতন মনে হবে। এটা একটা থ্রিডি প্রযুক্তি।

এ্যারো থাকলে উইন্ডো সুইচ করার বিষয়টা বেশ জটিল!
উইন্ডোজ �িস্তয় উইন্ডো সুইচ
উইন কী + TAB চাপলে আপনি এভাবে উইন্ডো সুইচের দৃশ্য দেখতে পাবেন। :) মজার না?

যেমন সবাই জানেন যে আমি মাইক্রোসফটের সাথে কাজ করছি বাংলা – বাংলাদেশ লেকেল* সেট করার জন্য। এবার সেটা থাকছে।
উইন্ডোজ �িস্তয় বাংলা বাংলাদেশ লোকেল
অঙ্কুর-এর বদৌলতে লিনাক্সে অনেক আগেই বাংলা – বাংলাদেশ লোকেল তথ্য ছিলো, উইন্ডোজ এক্সপি সার্ভিস প্যাক ২-এ বাংলা – ভারত দেয়া ছিলো। এবার উইন্ডোজ ভিস্তায় বাংলা বাংলাদেশ আসলো। সরকারের কোনো সাহায্য না থাকায় এরজন্য বহুত কাঠ খঁড় পুড়তে হয়েছে আমাকে।

ভিস্তায় অনেক জিনিস দেখা যাবে লিনাক্সের নকল। ভিস্তার ঘড়িটিও কিছুটা সেরকম:
উইন্ডোজ �িস্তর ঘড়ি
তবে এখানে নতুন একটি বিষয় যোগ হয়েছে, যে আপনি চাইলে একসাথে কয়েকটি টাইমজোন দেখতে পারবেন পাশাপাশি।

আমি উইন্ডোজ ভিস্তায় চালাচ্ছি মাইক্রোসফট অফিস ২০০৭ বেটা ২ ট্যাকনিক্যাল রিফ্রেস
মাইক্রোসফট অফিস ২০০�
অফিসের মধ্যও যোগ করা হয়েছে জটিল সব ফিচার। আমি এই ছবিটা নেয়ার সময় এক্সেস ব্যবহার করছিলাম।

কেমন লাগলো আমার ভিস্তা? মন্তব্য করবেন।

* লোকেল (locale)-এর সহজ অর্থ হলো, অপারেটিং সিস্টেমে একটি এলাকার সমস্থ তথ্য যেমন মূদ্রার মান, মূদ্রা লেখার স্টাইল, ভাষা, সময় অবস্থান, তারিখ লেখার ধরণ, ইত্যাদী থাকে। এতে করে ঐ এলাকার ব্যবহারকারীদের ব্যবহারে বেশ সুবিধা হয়।

Leave Comments...

একটা সমস্যা বোধহয় এখনো রয়ে গেছে!
আমি দেখেছি, বাংলাদেশীরা Bengali না লিখে Bangali লিখতে অনেক বেশি পছন্দ করে এবং স্বাচ্ছন্দ বোধও করে। আমি হয়তো সঠিক জানি না; তবে এটা আমি খুব ভালো করেই লক্ষ্য করেছি।
আর মজার ব্যপার হচ্ছে; কিছু সংখ্যক লিন্যাক্স ও আন্তর্জাতিক ওয়েবসাইট বাদে অন্য সব অপারেটিং সিস্টেম ও ওয়েবসাইট Bangali শব্দকে ভূল শব্দ হিসেবে গণ্য করে! :(

omiazad says:

একটা কথা তো বলাই হয়নি।
আমার ওয়ালপেপারে যে ঝর্নাটা দেখতে পাচ্ছেন, সেটার পানি কিন্তু আসলেই ঝড়ছে। ;)
ওয়াল পেপারে না, যেখান থেকে ছবিটা নেয়া হয়েছে সেখানে :D
!!??!!

boss khub valo laglo,just keep it……
jay

A ahmed says:

আপনাকে অনেক ধন্যবাদ এই মহত কাজটি করার জন্য। অপেক্ষায় আছি আমিো ভিস্তা ব্যবহার করবো।

A ahmed says:

Hello Ami Azad
Thank u for ur great work.

Darklord says:

Vaijan ,
Try Ubuntu Linux , http://www.ubuntu.com/download
you don’t need to buy Vista

Manchu says:

Vaijan,
We are poor people in bangladesh.
I have no money to buy Vista.
Windoes xp2 e to valid na