Truth of Touch – ইয়ানির আরেকটি অসাধারণ সৃষ্টি

আমরা বই পড়ি, সিনেমা দেখি, গান শুনি, কোথাও বেড়াতে যাই মনকে স্বতস্ফুর্ত করার জন্য; এখন যেনো মানুষ কেমন হয়ে যাচ্ছে! বই পড়ে না, গান টান শোনে না! আর যেসব যারা গান শোনে, তারা দেখা যায় সারাদিন আজাইড়া হিন্দী গান শুনছে। আমি বলছিনা যে হিন্দীতে ভালো গান হয়না, পৃথিবীর সব ভাষাতেই ভালো গান আছে, তাই বলে সারাক্ষণ সস্তা হিন্দী গানের ঘ্যানর ঘ্যানর ভালো লাগেনা!

আমাদের বাড়ীতে ডিশ এন্টিনা লাগানো হয় ১৯৯৩ সালে, তখন স্টার প্লাসে ইংরেজী অনুষ্ঠান হতো। সেই সময় স্টার প্লাসে একটা অনুষ্ঠান দেখে রীতিমত অবাক হয়ে গিয়েছলাম আমি আর আমার আব্বা। অনুষ্ঠানটি ছিলো ইয়ানি লাইভ এট এক্রপোলিস। মিউজিকের কম্পোজিশন শুনে আমাদের বাবা-ছেলের চোখে পানি চলে এসেছিলো! আদ্ধাতিক আনন্দ তাঁর সৃষ্টিতে।

অনেকদিন থেকেই ইয়ানির গানগুলি শুনে আসছি, অন্ধ ভক্তের মতন আমি বলবনা যে সবই ভালো কাজ, ভালো মন্দ মিলিয়ে কাজ করেছে সে। শেষ এলবাম শুনেছিলাম এথনিসিটি; খুব একটা ভালো লাগেনি আমার কাছে। মিউজিক টেলিভিশনের দর্শক না হবার জন্য হয়তো জানতামনা যে ইয়ানি যে এর মধ্যে আরও তিনটা এলবাম বের করেছে। এই বছর সে বের করেছে ট্রুথ অফ টাচ্, বাংলায় বলা যায় স্পর্শের সত্যতা। নামের মধ্যেই একটা ভাব আছে :)

তার কম্পোজিশনের টেস্ট বোঝানোর জন্য কয়েকটা গান শেয়ার করলাম এলবাম থেকে-
Read the rest of this entry »

You are FUPed! (ন্যায্য ব্যবহার নীতিমালার কথা বলছি)

অনেকদিন থেকেই ভাবছি এই ইস্যুটা নিয়ে লেখা দরকার, কিন্তু সময়ের অভাবে লেখা হয়ে ওঠেনি।

বিষয়টা হলো আমাদের ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান বা আইএসপি-গুলিকে নিয়ে। বেশ কিছুদিন হয়ে গেলো আমাদের আইএসপি-গুলি ফেয়ার ইউজ পলেসি বা ন্যায্য ব্যবহার নীতিমালা আরম্ভ করেছে; বিশেষ করে মোবাইল ইন্টারনেট কোম্পানিগুলি। সরকারী লাইসেন্সধারী কোনো কোম্পানি কি ধুম করে একটা নীতিমালা আরম্ভ করে দিতে পারে? আমার মনেহয় তাদের পারার কথা না, লাইসেন্সে সবসময় শর্ত দেয়া থাকে, সেই শর্তে কিছু উল্লেখ করা না থাকলে সেটার জন্য লিখিত সম্মতি নিতে হয়। মোবাইল ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলি বা তাদেরকে যারা লাইসেন্স দিয়েছে সেই বাংলাদেশ টেলিকম রেগুলেটারি কমিশন (বিটিআরসি) কি সেভাবে কাজ করেছে?

আমার কাছে সবসময় মনে হয় সরকার চলছে সরকারের মতন আর কোম্পানি চলছে তাদের মতন। লাইসেন্স দিয়েই সরকারের কাজ শেষ!  ফেয়ার ইউজ পলেসি আরম্ভ করার পরে আমার খুব জানতে ইচ্ছে হয়, এই পলেসি বা নীতিমালায় কি বিটিআরসির অনুমোদন আছে! একটা নীতিমালা পাশ হয়ে গেলো, দেশের জনগনের উপরে  সেটা চাপিয়ে দেয়া হবে, সেটা থেকে কার কতটুকু লাভ হবে, কতটুকু ক্ষতি হবে সেটা কি অনুমোদন দেবার আগে কেউ খতিয়ে দেখেছে? অন্তত বিটিআরসির কাছ থেকে আমি এটা আশা করিনা।

আমার ধারণা বিটিআরসি আমাদের ভালো মন্দ বোঝে এবং ধরে নিচ্ছি নীতিমালার অনুমোদন তারা দিয়েছে। এবার একটু নীতিমালাগুলি জানি-

  • গ্রামীণফোন – ৫ গিগা ট্রান্সফারের পরে ন্যায্য ব্যবহার নীতিমালা প্রয়োগ করা হবে পরবর্তি বিলের তারিখ পর্যন্ত।
  • বাংলালিংক – এক সপ্তাহে ৩ গিগা ট্রান্সফারের পরে ন্যায্য ব্যবহার নীতিমালা প্রয়োগ করে “পে এজ ইউ গো” করে দেয়া হবে পরবর্তি বিলের তারিখ পর্যন্ত।
  • সিটিসেল - ৭ গিগা ট্রান্সফারের পরে ন্যায্য ব্যবহার নীতিমালা প্রয়োগ করা হবে পরবর্তি বিলের তারিখ পর্যন্ত।
  • কিউবি – ৩০ গিগা ট্রান্সফারের পরে ন্যায্য ব্যবহার নীতিমালা প্রয়োগ করা হবে পরবর্তি বিলের তারিখ পর্যন্ত।
  • এরকম অনেক নীতিমালা আছে।

নীতিমালার ধরণ দেখে কিন্তু মনে হয়না যে বিটিআরসি এরকম উদ্ভট  নীতিমালার অনুমোদন দিতে পারে। ব্যক্তিগতভাবে আমার কিন্তু এই নীতিমালা নিয়ে কোনো সমস্যা নাই, সমস্যা হলো অন্যখানে। একটা আইএসপি বলছে তারা সর্বোচ্চ XX কেবিপিএস বা YY এমবিপিএস গতির সংযোগ দেবে; তারা কিন্তু এটা বলছেনা যে সর্বনিম্ন কত গতি থাকবে। আমার ক্ষুদ্র মস্তিস্কে যা ঢুকে তাতে আমি বুঝি আমাদের সেবার মানের নিশ্চিত করার কাজ বিটিআরসির। উদ্ভট নীতিমালায় অনুমোদন বা এই প্রতিষ্ঠানগুলিকে ব্যবসা করার অনুমতি দেবার সময় তারা কি একবারও ভাবেনা যে গ্রাহকদের অবস্থানটা কোথায় থাকবে! অনেক টাকায় লাইসেন্স দিয়ে দিলেই হলো, না লাইসেন্সে উল্লেখ করতে হবে যে সেবার বিস্তৃতি কিরকম হবে, খরচ কত হবে, সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ মাপ কত ইত্যদি! একটা পাগল তার নিজের ভালো মন্দ বোঝে, বিটিআরসি যখন বিদেশী কোম্পানিগুলির কাছে লাইসেন্সের জন্য ফাটাফাটি রকমের অর্থ চার্জ করে, তখন টাকা গ্রহণ করার পাশাপাশি সুদুরপ্রসারী চিন্তা করে দেখা উচিৎ বলে আমি মনে করি।

যে কোনো সেবা গ্রহণের ক্ষেত্র নিজেকে মাঝে মাঝে এত অসহায় মনে হয়! কি করে আমাদের জন্য আমাদের সরকার!

ওল্লো – চলেন গিনিপিগ হয়ে যাই…

বেশ কিছু কোম্পানি নতুন করে ওয়্যারলেস ইন্টারনেট সংযোগ দেবার লাইসন্স পেয়েছে বলে জেনেছি। এদের মধ্যে পরীক্ষামূলক সেবা প্রদান করা শুরু করেছে ওল্লো ওয়্যারলেস ইন্টারনেট।

এরই মধ্যে ফেইসবুকের কিছু বন্ধু ওদের পেইজে লাইক দেয়া শুরু করায় ভাবলাম একবার দেখা দরকার এরা কি করছে; ফোন দিলাম ওদের কল সেন্টারে। প্যাকেজের কথা শুনে তো আমি ধপাস করে পড়ার অবস্থা। ওদের একটাই পণ্য, সেটাও আবার ঠিকমত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি যে কিভাবে বা কোন পরিকল্পনার মাধ্যমে বিতরণ করবে।

একটু বুঝিয়ে দেই। ওদের একটাই USB ডঙ্গল আছে ZTE AX326 এটা একটা WiMax রিসিভার সেটা ইন্টারনেটে ঘাঁটা ঘাঁটি করে বের করলাম। সংযোগ সহ এই ডঙ্গলের দাম ২৪৭৫ টাকা। আর যদি ঠিকমতন নেটওয়ার্ক না পায়, তাহলে এর সাথে একটা ZTE SX361 Wireless Cradle নামক একটা খুঁটি লাগাতে হয় যেটা ভালো সিগন্যাল গ্রহণ করতে সাহায্য করে; আর এর জন্য অতিরিক্ত ৭৫০ টাকা দিতে হবে।

এখন এটা নাহয় কিনলাম কিন্তু সাখে কি পাবো সেটা নিয়ে আলোচনা করি। মডেমের সাথে আমরা পাবো ৫১২ কেবিপিএস গতির একটি ইন্টারনেট সংযোগ যেটা দিয়ে আমরা ৩১ ডিসেম্বর ২০১১ পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৪০ গিগাবাইট ডাটা ট্রান্সফার করতে পারবো। ৪০ গিগা শেষ হয়ে গেলে! এজেন্ট জানালেন ওল্লো’র ওয়েব সাইটে গিয়ে অনুরোধ করলে আরও ১০ গিগা বাড়িয়ে দেয়া যেতে পারে। তবে এরপরে কি হবে সেটা জানাতে পারলেননা কল সেন্টারের এক্সিকিউটিভ।

আমি এটাই বুঝলামনা যে এত টাকা পয়সা খরচ করে একটা কোম্পানি কিভাবে সুদুর পরিকল্পনা না নিয়ে ব্যবসা করতে নেমেছে। আর আমরাই বা কেনো টাকা দিয়ে গিনিপিগ হয়ে অনিশ্চিত একটা সেবা ব্যবহার করতে যাবো; তাদের সেবার মান উন্নয়নের জন্য!

বাংলাদেশের অনেক সম্ভবনা দেখে অনেকে ব্যবসা করতে আসে। শর্ত দেয়া হয় “সারা বাংলাদেশে সেবা পৌছে দিতে হবে।” স্রেফ ঢাকাতে সেবার মান বজায় রাখতেই গোপণাঙ্গ দিয়ে রশ বের হয়ে যায়, ঢাকার বাহিরে বিস্তার করার তো প্রশ্নই আসেনা। দুই বছরের বেশী হলো অন্য দু’টি ওয়াইম্যাক্স কোম্পানি ব্যবসা করছে, কিন্তু দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে এখনো যেতে পারেনি। এরা কি করে সেটা দেখার আগ্রহ আছে।

শেষ কথা হলো আমার শখ নাই টাকা দিয়ে আপাতত গিনিপিগ হওয়ার। আমার বাসায় ৮-৯টার মত ডিভাইস আছে যেগুলিতে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে হয়। এই জঙ্গল ডঙ্গল আমার জন্য না!

আমার ব্লগ এখন আইফোন সহ অন্যান্য মোবাইল ফোনে!

আইফোন, আইপ্যাড, এন্ড্রোয়েড ফোন, আইপড দিয়ে কিছু সাইটে গেলে মুগ্ধ হয়ে যাই, সাইটগুলি এত সুন্দর আসে মোবাইল প্লাটফর্মে! আমার ব্লগের ক্ষেত্রে মোবাইল থেকে সমস্যা হলো, আমার ব্লগের মূল ভাষা বাংলা আর বাংলা মোবাইল প্লাটফর্মের সেভাবে এখনো উপলব্ধ না।

এক বছরের বেশী হলো আইফোন, আইপড, আইপ্যাড-এ বাংলা সমর্থন এসেছে এবং প্রায় সমস্থ ব্যবহারকারীর (আই) ডিভাইসেই এখন বাংলা সমর্থন আছে। এছাড়া বাংলা সমর্থন আছে ওপেরা মিনি ব্রাউজারে, যেটা বেশীরভাগ মোবাইলের জন্য উপলব্ধ + বেশীরভাগ ব্যবহারকারী সেটা ব্যবহার করে দৈনন্দিন ওয়েব ব্রাউজের জন্য।

সেদিন একটু ঘাঁটা ঘাঁটি করে দেখলাম অনেক সলিউশন আছে যা ব্লগকে মোবাইল প্লাটফর্মের জন্য উপলব্ধ করবে। এর মধ্যে আমার কাছে সবচাইতে সহজ মনে হয়েছে ইমতিয়াযের তৈরী প্লাগইন। অসাধারণ কাজ করেছে ইমতিয়ায, শুধু প্লাগইন টা ওয়ার্ডপ্রেসে যোগ করে এনেবল করে নিলেই নিলেই হলো, বাকী কাজ সে নিজে নিজে করে নেবে। পাতা বদল বা অন্যান্য নেভিগেশনের ক্ষেত্রে সুন্দর এনিমেশনও হয় :)

আপনিও যদি আপনার সাইট মোবাইল ব্রাউজারের জন্য উপলব্ধ করতে চান, তাহলে WordPress PDA & iPhone প্লাগইনটা ব্যবহার করে দেখতে পারেন। প্লাগইনটি ওয়ার্ডপ্রেসের সাইটেও রয়েছে।

উইন্ডোস ফোন সেভেন নিয়ে অভিজ্ঞতা

প্রয় সাত বছর ধরে নোকিয়া ফোন ব্যবহার করছি। আর প্রায় ২.৫ বছর ধরে ব্যবহার করছি নোকিয়া E63. এর মাঝে আবার উইন্ডোস মোবাইল, আইফোন ব্যবহার করেছি, কিন্তু বেশীদিন ধরে রাখতে পারিনি। তা একরকম একঘেয়েমী চলে এসেছিলো নোকিয়া ব্যবহার করতে করতে।

আইফোনের আকার ভালো লাগেনি আর উইন্ডোস মোবাইল আর যেহেতু মাইক্রোসফট আর উন্নয়ন করবেনা, তাই ভাবলাম একটু এন্ড্রোয়েড ব্যবহার করে দেখি। কিনলাম Sony Ericsson X 10. চমৎকার সেট, দারুন ক্যামেরা। কিন্তু ঝামেলা হলো আসল ব্যবহারে। আপনি যদি জিমেইল ব্যবহার করেন, তাহলে ঠিক আছে, যদি অন্য কিছু ব্যবহার করেন তাহলেই ঝামেলা। আমার জন্য এক্সচেঞ্জ ছিলো গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু সেটার জন্য আবার থার্ড পার্টি এপ্লিকেশন ব্যবহার করতে হয়। এন্ড্রোয়েড অপারেটিং সিস্টেম এক্সপ্লোর করার জন্য ভালো, কিন্তু প্রফেশনালদের জন্য না। সবচাইতে করুণ হলো, এই জিনিসের কোনো সাপোর্ট নাই। X 10 এন্ড্রোয়েড ২.১ দিয়ে আসে এবং সনি বলে দিয়েছে যে তারা এটাতে ২.২ বা নতুন আপগ্রেড দেবে না। কি বিরক্তিকর!

QWERTY লে-আউটের প্রতি যেহেতু একটা দুর্বলতা ছিলোকিনলাম মটোরোলা চার্ম, মনেহয় জীবনে সবচাইতে বড় ভূল করেছিলাম এটা কিনে। ভাই একটা ফোনের যে কত সীমাবদ্ধতা থাকতে পারে না এই ফোন না চালালে বোঝা যাবে না। আমার কাছে মনে হয়েছে এন্ড্রোয়েড ভালো, তবে যতটা বলে ততটা এখনো হয়ে ওঠেনি। সোজা কথা এটা নিয়ে খেলনা হিসেবে আপাতত ব্যবহার করা যায়, তবে এটা প্রফেশনাল কাজ করা যায় না।

এবার আসি উইন্ডোস ফোনের কথায়। পেশাগত কারনে বাভিন্ন সময়ে বিভিন্ন স্থানে উইন্ডোস ফোন ব্যবহার করার অভিজ্ঞতা আমার ভালো না। পরে আমি একটা ফোন উপহার হিসেবে পাই আমার ভার্টিক্যাল ম্যানেজারের কাছ থেকে। প্রথম কিছুদিন ব্যবহার করি নাই, যেই ফোনে নম্বর কপি/পেস্ট করা যায়না, সেটা ব্যবহার করার কোনো কারণ নাই!

হঠাৎ একদিন ফোন চালু করে দেখি দু’টো আপডেট এসেছে, এটাই সেই কপি-পেস্ট আপডেট + অনেক পারফরমেন্স ইম্প্রুভমেন্ট রয়েছে এই আপডেটে। আপডেট দুটি করার পরে আমি ব্যবহার করতে শুরু করলাম এবং আমার মোটামুটি মুগ্ধ।

প্রোফেশনালি একটা ফোন ব্যবহার করতে যা যা লাগে, এখান সব আছে। তবে হ্যাঁ অনেক কিছু আবার নাই! যেমন, মাইক্রোসফট অফিস আছে, কিন্তু কম্পিউটার থেকে একটা ফাইল নিয়ে যে কাজ করবো, সেই উপায় নাই! মেইলে আসা ফাইল বা শেয়ারপয়েন্টের ফাইল নিয়ে কাজ করা যায়। সবকিছু যেহেতু ক্লাউডে যাবে, সেহেতু এই কনসেপ্ট, কিন্তু আমরা যারা এখনো সেরকম ইনফ্রাস্ট্রাকচারে যাই নাই (বেশীরভাগ এন্ড ইউজারই যায়নি), তাই এটা একটা ঝামেলা বলে মনে হয়েছে আমার কাছে।

যাই হোক, আগে যেগুলি ভালো লেগেছে সেগুলি শেয়ার করি। দুর্দান্ত পারফরমেন্স, দারুন গ্রাফিক্স এবং গেইমের পারফরমেন্স। কিছু কিছু গেইম একই সাথে এক্সবক্স এবং ফোনে খেলা যায়। ফেইসবুকের সাথে ইন্টিগ্রশনটা জটিল, অন্য ফোনে এরকম এর আগে/এখন পর্যন্ত হয়নি। সোশাল নেটওয়ার্কিং এবং ইমেইলের সাথে সুন্দর কাজ করে। আমার দারুন লেগেছে।

যুন প্লেয়ার দিয়ে গান শোনার এক্সপিরিয়েন্স অসাধারণ। মিউজিম লাইব্রেরী যারা ঠিকমতন মেইনটেইন করেন, তারা মজা পাবে, আর যারা এলোপাথারি ইন্টারনেট থেকে গান ডাউনলোড করে শোনে, তাদের একটু ঝামেলাই মনে হবে :)

চার্জ মাত্র একদিন থাকে আর মার্কেটপ্লেস এখনো তেমন ফুলে ফেঁপে ওঠেনি। এছাড়া আমি খারাপ কিছু এখন পর্যন্ত দেখিনি। ডেভলপারদের জন্য প্রতি নিয়ত নতুন নতুন সুবিধা দিচ্ছে মাইক্রোসফট, যেমন আইফোনের এপ্লিকেশন কিভাবে উইন্ডোস ফোনে পোর্ট করবেন বা এন্ড্রোয়েড প্লাটফর্মের এপ্লিকেশন কিভাবে উইন্ডোস ফোনে পোর্ট করবেন ইত্যাদী নিয়ে কাজ করেই যাচ্ছে মাইক্রোসফট উইন্ডোস ফোন টিম। এই বছরের শেষের দিকে অসাধারণ সব ফিচার নিয়ে ম্যাঙ্গো আপডেট আসার কথা। ফোনের ডেভলপার এবং ব্যবহারকারী সবাই অধীর আগ্রহে ঐ আপডেটের জন্য অপেক্ষায় আছে!

এন্ড্রোয়েডের মতন উইন্ডোস ফোন অনেক ভেন্ডর তৈরী করে। কিন্তু সুবিধা একটাই, যে মাইক্রোসফট মিনিমাম কিছু প্রয়োজন বেঁধে দিয়েছে, এর বাহিরে কোনো ভেন্ডর যেতে পারবেনা। তাই একটা মিনিমাম কোয়ালিটি বজায় থাকছে। এন্ড্রোয়েডের সমস্যা হলে যে যার মত বানাচ্ছে এবং সাপোর্ট দিচ্ছে বা ইচ্ছা হলে দিচ্ছে না। এপল আই ফোনের ক্ষেত্রেও এই সমস্যা নাই!

আমি এই পোস্টটি লিখেছি শুধু মাত্র নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করার জন্য। তবে একটা মন্তব্য করতে চাই। একটা ফোন থেকে যদি সব পাওয়ার আগ্রহ থাকে, উইন্ডোস ফোন এখনো সেই পর্যায় যায়নি। খেলনা ফোন হিসেবে এন্ড্রোয়েড ব্যবহার করা যায়, তবে সবকিছু পেতে হলে আইফোনের বিকল্প আপাতত দেখছিনা। :)