<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Reality Bites &#187; বাংলাদেশ</title>
	<atom:link href="http://omi.net.bd/tag/on-bangladesh/feed" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://omi.net.bd</link>
	<description>by Omi Azad</description>
	<lastBuildDate>Sat, 14 Jan 2012 06:11:01 +0000</lastBuildDate>
	<language>en</language>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
	<generator>http://wordpress.org/?v=3.3.1</generator>
		<item>
		<title>BTCL ADSL &#8211; কুত্তার লেজ সোজা হয়না</title>
		<link>http://omi.net.bd/745</link>
		<comments>http://omi.net.bd/745#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 19 Apr 2011 07:08:16 +0000</pubDate>
		<dc:creator>Omi Azad</dc:creator>
				<category><![CDATA[টেলিকম]]></category>
		<category><![CDATA[মন্তব্য]]></category>
		<category><![CDATA[ADSL]]></category>
		<category><![CDATA[এডিএসএল]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিটিসিএল]]></category>
		<category><![CDATA[Bangladesh]]></category>
		<category><![CDATA[BTCL]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://omi.net.bd/?p=745</guid>
		<description><![CDATA[বেশ আগ্রহ নিয়ে গতমাসের ২৯ তারিখে বন্ধুদের জানালাম যে বিটিসিএল থেকে লোক এসে তাদের ADSL সংযোগ দেবার বিষয়ে যাবতীয় কাজ করে নিয়ে গিয়েছে। অনেকেই অনেক মন্তব্য করলো, আমি ভাবলাম একবার দেখিনা এই রাষ্ট্রীয় সেবা কেমন হয়। আমার মাথায় একটা জিনিস ছিলোনা যে কুত্তার লেজ কখনো সোজা হয়না। কাজী মাকসুদ (মোবাইল: ০১৭১৫৩২৫৩৪৩) নামের যে ভদ্রলোক সংযোগ [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>বেশ আগ্রহ নিয়ে গতমাসের <img class="alignleft" title="BTCL Logo" src="http://farm6.static.flickr.com/5266/5633398961_4616799554.jpg" alt="" width="195" />২৯ তারিখে বন্ধুদের জানালাম যে বিটিসিএল থেকে লোক এসে তাদের ADSL সংযোগ দেবার বিষয়ে যাবতীয় কাজ করে নিয়ে গিয়েছে। অনেকেই অনেক <a href="http://www.facebook.com/omiazad/posts/10150126294013740" target="_blank">মন্তব্য করলো,</a> আমি ভাবলাম একবার দেখিনা এই রাষ্ট্রীয় সেবা কেমন হয়। আমার মাথায় একটা জিনিস ছিলোনা যে কুত্তার লেজ কখনো সোজা হয়না।</p>
<p>কাজী মাকসুদ (মোবাইল: ০১৭১৫৩২৫৩৪৩) নামের যে ভদ্রলোক সংযোগ দিতে এসেছিলেন উনি বলে গেলেন সাত দিনের মধ্যে আমি সংযোগ পাবো। আমি এই মাসের ৭ তারিখ শনিবারে উনাকে ফোন দিলাম, ভাই সংযোগ এর খবর কি? উনি বেশ অনুরোধ করে বললেন একটা দিন দেখতে, সংযোগ হয়ে যাবে। আমি অবশ্য আর ফালতু অপেক্ষা করতে চাইছিলাম না, কারণ আমি ফেইসবুকের মন্তব্যগুলিতে বেশ বিরক্ত। তবে উনার অনুরেধের ঢেকি গিললাম এবং সত্যি সত্যি ৮ তারিখে আমার সংযোগ চালু হয়ে গেলো!</p>
<p>উনি আমাকে টেলিফোন করেই বলে দিলেন কি কি করতে হবে এবং কোনো সমস্যা হলে যাতে কালাম সাহেবকে ০১৯২৩৩৭০১৫৩ নম্বরে ফোন দেই। আমি সংযোগ স্থাপন করতে ব্যার্থ হলে কালাম সাহেবকে ফোন দেই, উনার নম্বর দেয়া হয়েছে বলে উনি বেশ বিরক্ত কারণ উনি জ্বরে ভুগছেন এবং কিছুদিন বিশ্রাম করে কাটাতে চান। তারপরেও উনাকে অনুরোধ করলে উনি ফোনে সাহায্য করেন এবং আমি সংযোগ স্থাপনে সক্ষম হই।</p>
<p>এখন হলো সবচাইতে কষ্টের বিষয়, সংযোগ নিয়েছি 1024kbps কিন্তু আমি পাচ্ছি 128kbps এর নীচে। মানে আমার ডাউনলোডে গতি সর্বোচ্চ 128Kbps থাকা উচিৎ, কিন্তু থাকছে 12-20Kbps সর্বোচ্চ। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে মাকসুদ সাহেবকে ফোন দিলাম, উনি বেশ কিছুক্ষণ আমার মাখা চাটলেন এবং কালাম সাহেবের সাথে যোগাযোগ করতে বললেন। অগত্যা জ্বরের মানুষটাকে ফোন দিতে হলো, উনি বললেন এই মুহুর্তে কিছু করা সম্ভব না উনার পক্ষে, উনি জ্বর থেকে ভালো হয়ে সব ঠিক করে দেবেন এবং আমি দুর্দান্ত গতি পাবো।</p>
<p>গত পরশু, অর্থাৎ ১৭ তারিখে আমি কালাম সাহেবকে আবার ফোন দিলে উনি জানান উনি লাইন ম্যান নিয়ে অনেক কিছু করেছেন এবং আমার পোল পর্যন্ত কোনো সমস্যা নাই, উনি কালকে অর্খাৎ ১৮ তারিখে সব পরীক্ষা করে আমাকে ফাইনাল জানাবেন। আমি গতকালকে উনাকে আবার ফোন দিলে উনি বলেন উনার লাইনম্যান আসেনি, আসলেই হয়ে যাবে। রাতে আমি ফোন দিলে উনি আর ফোন ধরেন না। এরকম অবস্তা দেখে আমি আবার মাকসুদ সাহেবকে ফোন দেই। মাকসুদ সাহেব আমাকে সাহায্য করার চেষ্টা করেন কিন্তু Morning shows the day, যার শুরু এরকম এটা নিয়ে ভবিষ্যতে আর কি হবে সেটা এখনি বোঝা যাচ্ছে। তাই আমি তাকে আমার মডেম ফেরৎ নেবার জন্য অনুরোধ করি।</p>
<p>এই তিক্ত অভিজ্ঞতার এখানেই শেষ না, আরও আছে। আমার লাইনে ADSL কেমন কাজ করবে বা আদৌ করবে কি-না সেটা দেখা BTCL এর দায়িত্ব না। আপনি টাকা দিয়ে সংযোগ নেবেন এবং তার পরে তাদের ইচ্ছা হলে পরীক্ষা করবে এবং এর পরে আপনি সংযোগ ১ দিন ব্যবহার করেন আর সংযোগ নিয়ে পরীক্ষা করেন, আপনাকে সম্পুর্ণ মাসের বিল দিতে হবে। সংযোগ হওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে আপনি মডেম ফেরৎ দিতে পারবেন, সেটা একটা ভালো বিষয়, নাই মামার চাইতে কানা মামা ভালো।</p>
<p>বিটিসিএল এর শেখা উচিৎ -</p>
<ul>
<li>বড় কথা বলতে হয়না, কিন্তু আপনাদের মধ্যে থেকে কেউ যদি এই মুহূর্তে ফোন দেয়, ঢাকা শহরের প্রায় ৫টা আইএসপি এসে বাসার দড়জায় দাঁড়িয়ে থাকবে সংযোগ দেবার জন্য।</li>
<li>আইএসপি যত ছোটই হোক্, এক কালামের উপর নির্ভর করে চলে না।</li>
<li>প্রটোকল দেখিয়ে ব্যবসা করার দিন শেষ, লাইনম্যান, সুইচম্যান কি করলো ব্যবহারকারীর কিছু যায় আসেনা। আসলে আজকে বিটিসিএল-এর ব্যবহারকারী সবচাইতে বেশী হতো।</li>
<li>মাকসুদ তার সাধ্য মতন চেষ্ট করেছে, বিটিসিএল-এর উচিৎ অকর্মাদের বাদ দিয়ে মাকসুদের মতন লোককে কাজে লাগানো।</li>
</ul>
<p>এখানে হয়তো অনেকেই বলবে যে এখানে শুধু বিটিসিএল একা কাজ করেনা। এখানে এমএম সিস্টেমস নামের একটা কোম্পানী রয়েছে যারা অন্যান্য কাজ করছে। আমার কথা আবারও একই, প্রটোকল দেখার সময় নাই ভাই, আমি এমন কোম্পানীর সংযোগ নেবো যারা আরেক কোম্পানীর উপরে নির্ভর করেনা।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://omi.net.bd/745/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>21</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>সিটিসেল কি মনে করে পাবলিক ঘাস খায়?</title>
		<link>http://omi.net.bd/682</link>
		<comments>http://omi.net.bd/682#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 10 Oct 2010 07:19:51 +0000</pubDate>
		<dc:creator>Omi Azad</dc:creator>
				<category><![CDATA[টেলিকম]]></category>
		<category><![CDATA[মন্তব্য]]></category>
		<category><![CDATA[আল্ট্রা]]></category>
		<category><![CDATA[ইন্টারনেট]]></category>
		<category><![CDATA[জুম]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[যুম]]></category>
		<category><![CDATA[সিটিসল]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://omi.net.bd/?p=682</guid>
		<description><![CDATA[আমার ধারণা সিটিসেল এখনো মনে করে পাবলিক ঘাস খায় এবং কিছুই বোঝেনা। অনেকদিন আগে বিষয়টা লক্ষ্য করেছিলাম, কিন্তু শেয়ার করা হয়নি। আজকে ফেইসবুকে সিটিসেলের বিজ্ঞাপণ দেখে আবার বিষয়টা মনে পড়ে গেলো, তাই শেয়ার না করে পারলাম না। আপনারা অনেকেই হয়তো জানেন যে সিটিসেল এখন একসাথে দুটো ডাটা সেবা চালিয়ে যাচ্ছে একটা হলো যুম, অন্যটা যুম [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img class="alignleft" title="Zoom Ultra" src="http://farm5.static.flickr.com/4108/5067175014_1344daeb48.jpg" alt="" width="358" height="111" />আমার ধারণা সিটিসেল এখনো মনে করে পাবলিক ঘাস খায় এবং কিছুই বোঝেনা। অনেকদিন আগে বিষয়টা লক্ষ্য করেছিলাম, কিন্তু শেয়ার করা হয়নি। আজকে ফেইসবুকে সিটিসেলের বিজ্ঞাপণ দেখে আবার বিষয়টা মনে পড়ে গেলো, তাই শেয়ার না করে পারলাম না।</p>
<p>আপনারা অনেকেই হয়তো জানেন যে সিটিসেল এখন একসাথে দুটো ডাটা সেবা চালিয়ে যাচ্ছে একটা হলো <a href="http://www.citycell.com/index.php?pageid=84" target="_blank">যুম,</a> অন্যটা <a href="http://www.citycell.com/index.php?pageid=144" target="_blank">যুম আল্ট্রা।</a> সিটিসেলের এই রোগ অনেক পুরাতন, তারা যখন <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Cdma" target="_blank">সিডিএমএ</a> প্রযুক্তিতে যায়, তখন একসাথে সিডিএমএ এবং <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Advanced_Mobile_Phone_System" target="_blank">এম্পস্</a> দুটোই চালাতো। যাই হোক, এবার আসল কথায় আসি। যুমের গতি 150 kb/s সর্বোচ্চ এবং যুম আল্ট্রার গতি 512 kb/s সর্বোচ্চ। কিন্তু আপনি চাইলেই যুম আল্ট্রা ব্যবহার করতে পারবেন না। প্রথমত আপনার ভৌগলিক অবস্থান আপনাকে বাঁধা দেবে (কারণ বাংলাদেশের সিমীত কিছু স্থানে আল্ট্রার সেবা আছে), দ্বিতীয়ত যুম আল্ট্রার প্যাকেজগুলি গতির উপরে ভিত্তি করে বিভিন্ন দামের হয়ে থাকে যা যুম থেকে বেশী।</p>
<p>গতি বেশী দিলে টাকা বেশী দিতে আমার ব্যক্তিগত কোনো সমস্যা নাই, তাহলে সমস্যা কোথায়? সমস্যা হলো একই গতি নিয়ে আপনি শুধু নামের জন্য বেশী টাকা দেবেন। আর এজন্যই দেবেন, কারণ আপনি ঘাস খান! একটু বিশ্লেষণ করে দেই-</p>
<ul>
<li>সিটিসেল যুম প্রিপেইডে তিনটি প্যাকেজ দিয়েছিলো, পে-পার মিনিট, 300MB বান্ডেল ও 1GB বান্ডেল। এই 1GB বান্ডেলের দাম মূল্য সংযোজন কর সহ হয় 316.25 টাকা, গতি 150 kb/s সর্বোচ্চ।</li>
<li>সিটিসেল যুম আল্ট্রা প্রিপেইডে বেশ কিছু প্যাকেজ আছে, এর মধ্যে একটি হলো Ultra 1 যার গতি 150 kb/s সর্বোচ্চ এবং ডাটা ট্রান্সফার লিমিট 800MB, মূল্য সংযোজন কর যুক্ত করার পরে যার দাম দাঁড়ায় 316.25 টাকা।</li>
</ul>
<p>এখন আপনি যদি ঘাস না খেয়ে থাকেন, তাহলে বলুন যে একই টাকায়, একই গতিতে শ্রেফ নামের জন্য কেনো আপনি কম ডাটা নিবেন?</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://omi.net.bd/682/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>15</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে</title>
		<link>http://omi.net.bd/604</link>
		<comments>http://omi.net.bd/604#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 31 May 2010 06:19:29 +0000</pubDate>
		<dc:creator>Omi Azad</dc:creator>
				<category><![CDATA[ব্যক্তিগত]]></category>
		<category><![CDATA[ক্যাব]]></category>
		<category><![CDATA[ট্যাক্স]]></category>
		<category><![CDATA[ঢাকা]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://omi.net.bd/?p=604</guid>
		<description><![CDATA[আজ সকাল থেকে মনটা একটু খারাপ কারণটা সবার সাথে শেয়ার করা দরকার, তাই ব্লগটা লিখছি। সকালে উঠে দেখি বৃষ্টি হচ্ছে। গাড়ী যেহেতু কেনা হয়নি এখনো অফিস যেতে হয় আমার মটর সাইকেলে করে, আর বৃষ্টিতে একমাত্র ভরসা ট্যাক্সি ক্যাব। বাসা থেকে বের হয়ে রিক্সা নিয়ে ক্যাব খুঁজছি। উত্তরা থেকে গুলশান দূরত্ব কম হওয়ায় ক্যাব/সিএনজি কেউ সহজে [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img class="alignleft" title="বাংলাদেশের ট্যাক্সি ক্যাব" src="http://farm5.static.flickr.com/4027/4658643287_41d586a6ef.jpg" alt="" width="276" height="136" />আজ সকাল থেকে মনটা একটু খারাপ কারণটা সবার সাথে শেয়ার করা দরকার, তাই ব্লগটা লিখছি।</p>
<p>সকালে উঠে দেখি বৃষ্টি হচ্ছে। গাড়ী যেহেতু কেনা হয়নি এখনো অফিস যেতে হয় আমার মটর সাইকেলে করে, আর বৃষ্টিতে একমাত্র ভরসা ট্যাক্সি ক্যাব। বাসা থেকে বের হয়ে রিক্সা নিয়ে ক্যাব খুঁজছি। উত্তরা থেকে গুলশান দূরত্ব কম হওয়ায় ক্যাব/সিএনজি কেউ সহজে যেতে চায়না। এক ক্যাব চালক নিজে থেকেই রাজি হলেন নিয়ে যেতে এবং সুন্দর করেই চালিয়ে নিয়ে এলেন। আমি অফিস পর্যন্ত যদি গাড়ী নিয়ে আসি তাহলে অনেকটুকু রাস্তা গিয়ে উই-টার্ন নিয়ে আসতে হয়। তাই চিন্তা করলাম রাস্তার এপাড়েই গাড়ী ছেড়ে দিয়ে পার হয়ে অফিসে যাই। ক্যাবের বিল হয়েছে প্রায় ১৩০ টাকা। আমি ২০০ টাকা দিতেই চালক বললেন উনার কাছে ভাঙতি নাই। আমার কাছেও ভাঙতি নাই, আছে ৬ টাকা, তিনটা ২ টাকার নোট <img src='http://omi.net.bd/wp-includes/images/smilies/icon_sad.gif' alt=':(' class='wp-smiley' /> </p>
<p>চালক আমাকে বললেন, &#8220;ভাঙতি যা আছে দিয়ে চলে যান।&#8221; আমি বললাম, &#8220;একটু অপেক্ষা করেন, আমি ব্যাংক থেকে ভাঙিয়ে আনি,&#8221; উনি বললেন, &#8220;থাক দিতে হবেনা, ১০০ টাকা দিয়েই যান।&#8221; আর আমি নির্বোধের মতন নেমে অফিসে চলে আসলাম। লিফটে উঠতে উঠতে মনে হলো আরে, আমিতো উনার মোবাইল নম্বরটা নিয়ে রাখলেও পারতাম। মোবাইলে টপ-আপ করে দিতাম টাকাটা, বা আমার বিজনেস কার্ড দিয়ে ২০০ টাকা দিয়ে আসতে পারতাম, উনি আমাকে ৭০ টাকা টপ-আপ করে দিতে পারতেন। খুব মনটা খারাপ হলো ভেবে। ভাঙতি ৬ টাকাও দেয়া হলোনা।</p>
<p>একটা সময় ছিলো যখন ভাড়া ছাড়া বাসে চড়তাম, টিকেট ছাড়া ট্রেনে চড়তাম, মজা করার জন্য। এখন কিন্তু ঐ সময় বা ঐ মানসিকতা নেই। আমি এখন অসম্ভব লজ্জিত ড্রাইভারকে ৩০ টাকা কম দেয়ার জন্য। ভীষণ খারাপ লাগছে নিজের কাছে, কেনো আমার মাথায় বুদ্ধি এলোনা তার মোবাইল নম্বরটা রেখে দেয়ার। যখন কোনো ট্যাক্সি/সিএনজি আসছিলোনা, তখন সে যেঁচে আমাকে নিয়ে এসেছে, অবশ্যই উপকার করেছে। আমার ৭০ টাকা বেশী দিলেও তো মহাভারত অশুদ্ধ হয়ে যেতো না <img src='http://omi.net.bd/wp-includes/images/smilies/icon_sad.gif' alt=':(' class='wp-smiley' /> </p>
<p>চোর পালানোর পরেই আসলে বুদ্ধি বাড়ে আমাদের!</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://omi.net.bd/604/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>10</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>এখন থেকে আর ঘন্টায় ঘন্টায় কারেন্ট যাবেনা!</title>
		<link>http://omi.net.bd/590</link>
		<comments>http://omi.net.bd/590#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 29 Mar 2010 13:55:02 +0000</pubDate>
		<dc:creator>Omi Azad</dc:creator>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[মন্তব্য]]></category>
		<category><![CDATA[কারেন্ট]]></category>
		<category><![CDATA[ঢাকা]]></category>
		<category><![CDATA[বিদ্যুৎ]]></category>
		<category><![CDATA[Bangladesh]]></category>
		<category><![CDATA[Dhaka]]></category>
		<category><![CDATA[Electricity]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://omi.net.bd/?p=590</guid>
		<description><![CDATA[অনেকদিন আগে &#8220;বাংলাদেশের উন্নতি&#8221; নামের একটি আর্টিক্যাল লিখেছিলাম। আজকে আবার একই বিষয় নিয়ে লিখছি। অনেকে হয়তো মনে করবে একই বিষয় নিয়ে দু&#8217;বার লেখার দরকার কি। আমি এজন্যই লিখছি যাতে প্রমাণ সহ বলতে পারি আমরা কুকুরের ল্যাজের মতো একটি জাতি, আর কুকুরের ল্যাজ যেমন ঘি দিয়ে মালিশ করলেও সোজা হয়না!সেরকম যত যাই হোক আমাদের চরিত্রও কখনো [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img class="alignleft" title="দিনের বেলা রাস্তার লাইটের আলোতে বাচ্চারা খেলছে!" src="http://farm3.static.flickr.com/2757/4473342218_e9e36d7f5b_o.jpg" alt="" width="232" height="307" />অনেকদিন আগে <a href="http://omi.net.bd/158" target="_blank">&#8220;বাংলাদেশের উন্নতি&#8221;</a> নামের একটি আর্টিক্যাল লিখেছিলাম। আজকে আবার একই বিষয় নিয়ে লিখছি। অনেকে হয়তো মনে করবে একই বিষয় নিয়ে দু&#8217;বার লেখার দরকার কি। আমি এজন্যই লিখছি যাতে প্রমাণ সহ বলতে পারি আমরা কুকুরের ল্যাজের মতো একটি জাতি, আর কুকুরের ল্যাজ যেমন ঘি দিয়ে মালিশ করলেও সোজা হয়না!সেরকম যত যাই হোক আমাদের চরিত্রও কখনো ঠিক হবে না।</p>
<p>গত কয়েকদিন থেকে যারা এয়ারপোর্ট রোডে যাতায়াত করছেন দুপুরের পরে, নিশ্চয়ই লক্ষ্য করে থাকবেন যে সারা রাস্তার বাতিগুলি জ্বালিয়ে রাখা হচ্ছে। অনেকসময় বাতি ঠিক করার জন্য জ্বালানো হয়, কিন্তু আমার চোখে সেরকম কিছু পড়েনি।</p>
<p>কয়েকদিন ধরে বিশ্বরোডের এই দৃশ্য তো দেখছি, আজকে আমার এলাকায় আসতেই দেখি এলাকার লাইটগুলিও জ্বালিয়ে রাখা হয়েছে। ভাবটা এরকম মনে হলো যে রাজপথের বাতিগুলির সাথে এই বাতিগুলি পাল্লা দিচ্ছে।</p>
<p><a href="http://farm5.static.flickr.com/4028/4473341902_8ed08829df_o.jpg" target="_blank"><img class="aligncenter" title="বড় ছবি দেখতে ক্লিক্ করতে হবে..." src="http://farm5.static.flickr.com/4058/4473342094_2668cef8f5_o.jpg" alt="" width="461" height="242" /></a></p>
<p>ছবির আলো দেখেই বুঝতে পারছেন তখন কত বেলা! যতদূর চোখ গেলো, সব বাতি জ্বলছে রাস্তার। কিছুদিন আগে সরকারী একজন পেপারে বলেছিলেন, এখন থেকে আর আমরা বলতে পারবোনা যে ঘন্টায় ঘন্টায় কারেন্ট যায়, কারণ এখন থেকে দুই ঘন্টা করে কারেন্ট বন্ধ থাকবে। উনাকে আমার জিজ্ঞেস করতে ইচ্ছে হচ্ছে, দুই ঘন্টা কারেন্ট বন্ধ রেখে কি দিনের বেলা রাস্তার বাতি জ্বালিয়ে রাখা হবে?</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://omi.net.bd/590/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>2</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>দেশের ভেতর আভ্যন্তরীণ রোমিং সুবিধা হতে পারে মোবাইল অপারেটরদের জন্য নতুন ব্যবসার ও গ্রাহকদের জন্য নতুন সেবার সম্ভাবনা</title>
		<link>http://omi.net.bd/421</link>
		<comments>http://omi.net.bd/421#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 15 Jul 2009 06:35:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>Omi Azad</dc:creator>
				<category><![CDATA[মন্তব্য]]></category>
		<category><![CDATA[মোবাইল অপারেটর]]></category>
		<category><![CDATA[একটেল]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়ারিদ টেলিকম]]></category>
		<category><![CDATA[গ্রামীণফোন]]></category>
		<category><![CDATA[টেলিটক]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলালিঙ্ক]]></category>
		<category><![CDATA[রোমিং]]></category>
		<category><![CDATA[সিটিসেল]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://omi.net.bd/?p=421</guid>
		<description><![CDATA[আমাদের দেশে এখন ছয়টি মোবাইল অপারেটর সফলভাবে কার্যক্রকম চালিয়ে যাচ্ছে। প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম লিঃ, গ্রামীণফোন লিঃ, টিএম ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ লিঃ, ওরাসকম টেলিকম বাংলাদেশ লিঃ, টেলিটক বাংলাদেশ লিঃ এবং ওয়ারিদ টেলিকম ইন্টারন্যাশনাল লিঃ। এদের মধ্যে কারও কারও দেশব্যাপি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক কাভারেজ রয়েছে আবার এখনো কারও কারও নেটওয়ার্ক দুর্বল। আবার এখনো এমন দেখা যায় যে অনেক স্থানে [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img class="alignleft" title="মোবাইল বিটিএস" src="http://farm4.static.flickr.com/3510/3723158758_6b4299679f_o.jpg" alt="" width="244" height="412" />আমাদের দেশে এখন ছয়টি মোবাইল অপারেটর সফলভাবে কার্যক্রকম চালিয়ে যাচ্ছে। প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম লিঃ, গ্রামীণফোন লিঃ, টিএম ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ লিঃ, ওরাসকম টেলিকম বাংলাদেশ লিঃ, টেলিটক বাংলাদেশ লিঃ এবং ওয়ারিদ টেলিকম ইন্টারন্যাশনাল লিঃ। এদের মধ্যে কারও কারও দেশব্যাপি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক কাভারেজ রয়েছে আবার এখনো কারও কারও নেটওয়ার্ক দুর্বল। আবার এখনো এমন দেখা যায় যে অনেক স্থানে কোনো কোম্পানীর নেটওয়ার্ক কাভারেজ আছে আবার অনেক স্থানে নেই। শুধু দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেই না, খোদ ঢাকার অনেক বহুতল ভবনে ঢুকলে দেখা যায় এই মোবাইল অপারেটরের গ্রাহকরা নেটওয়ার্ক পাচ্ছে আবার ঐ অপারেটরের গ্রাহকরা নেটওয়ার্ক পাচ্ছেন না। কারণ অনেক অপারেটররা ঐ ভবনগুলিতে ইনডোর মাইক্রো বিটিএস লাগিয়ে গ্রাহকদের সেবা দিচ্ছে।</p>
<p>পৃথিবীর অন্যান্য দেশে কিন্তু দেশের ভেতরে বিভিন্ন মোবাইল অপারেটর অন্য অপারেটরের নেটওয়ার্ক ব্যবহারের সুবিধা দিয়ে থাকে। ভারতের কথা ধরা যাক, সেখানে আইডিয়া নামের অপারেটর শুধু দুই থেকে তিনটা রাজ্যে সেবা প্রদান করে থাকে। এর অর্থ এই না যে আপনা আইডিয়ার গ্রাহক হলে আইডিয়ার প্রদেশগুলির বাহিরে অন্য প্রদেশে গিয়ে নেটওয়ার্ক পাবেন না। অন্য প্রদেশের অপারেটরের নেটওয়ার্কে আপনি রোমিং করতে পারবেন এবং এরজন্য হয়তো মূল কল চার্জের সাথে সামান্য কিছু পয়সা বেশী দিতে হবে আপনাকে।</p>
<p>ঠিক সেভাবেই ধরা যাক আমি টেলিটকের গ্রাহক, দিলকুশার জীবন বীমা ভবনে অবস্থিত বোর্ড অফ ইনভেস্টমেন্ট অফিসে একটা কাজে গিয়েছি, সেখানে দেখি আমার মোবাইলে নেটওয়ার্ক নাই। কিন্তু ওয়ারিদ বা বাংলালিঙ্ক গ্রাহকরা দিব্বি মোবাইল ব্যবহার করছেন। খোঁজ নিয়ে জানলাম একটেল, ওয়ারিদ ও বাংলালিঙ্ক ঐ ভবনের ভেতরে ইনডোর মাইক্রো বিটিএস স্থাপন করেছে সেবা প্রদানের জন্য।</p>
<p><img class="alignright" title="Girl With Mobile" src="http://farm3.static.flickr.com/2513/3723158774_e05fed69c4_o.jpg" alt="" width="281" height="264" />এখন যদি আমাদের দেশে আভ্যন্তরীণ রোমিং সুবিধা থাকতো, তাহলে আমি দিব্বি ঐ তিনটি অপারেটরের একটিকে নির্বাচন করে নিয়ে আমার মোবাইল ব্যবহার করতে পারতাম সেই সাময়িক সময়ের জন্য। অন্য অপারেটরের নেটওয়ার্ক ব্যবহারের জন্য আমাক হয়তো ইনকামিং বা আউডগোইং উভয় ক্ষেত্রে মিনিট প্রতি অতিরিক্ত ০.০৫ টাকা বিল দিতে হতো। আর আমি যেই অপারেটরকে নির্বাচন করেছি রোমিং কারার জন্য, এই ০.০৫ টাকা ঐ অপারেটর পেতো।</p>
<p>এভাবেই ধরুণ আমি একটা গ্রামে গেলাম, যেখানে টেলিটকের নেটওয়ার্ক নেই, কিন্তু গ্রামীণফোনের আছে। আভ্যন্তরীণ রোমিং সুবিধা থাকলে আমি ঐ নেটওয়ার্ক নির্বাচন করে আমার মোবাইল ব্যবহার করতে পারতাম। এই ক্ষেত্রে হয়তো কল করার জন্য আমার কল চার্জের সাথে মিনিটপ্রতি ০.০৫ টাকা অতিরিক্ত এবং কল গ্রহণ করার জন্য মিনিটপ্রতি ০.০৫ টাকা হারে চার্জ দিতে হতো। এই অতিরিক্ত চার্জটা কিন্তু পেতো গ্রামীণফোন।</p>
<p>এই যে গ্রামীণফোন কত রকমের প্রচার করছে যে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে তাদের নেটওয়ার্ক আছে ইত্যাদি ইত্যাদি, কিন্তু বিল বেশী হওয়ায় অনেকেই ওদের সেবা নিতে আগ্রহী না। কিন্তু যদি আজকে আভ্যন্তরীণ রোমিং সুবিধা থাকতো, তাহলে গ্রামীণফোন খুব সুন্দর রোমিং নেটওয়ার্ক ভাড়া বাবদ অনেক টাকা উপার্জন করতে পারতো।</p>
<p>যাই হোক, আমাদের আশা ভালো সেবা পাওয়া। আমার কাছে মনে হয়েছে এই সুবিধা থাকলে আমাদের উপকার হতো এবং সেই সাথে মোবাইল অপারেটরদেরও একটা নতুন ব্যবসার দুয়ার উন্মোচিত হতো। এখন দেখা যাক কি হয়। দেশ যতই ছোটো হোক, ১০০% নেটওয়ার্ক কাভারেজ কিন্তু এখনো কোনো অপারেটর দিতে পারেনি।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://omi.net.bd/421/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>14</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>মাইক্রোসফট ডে @ ঢাকা</title>
		<link>http://omi.net.bd/415</link>
		<comments>http://omi.net.bd/415#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 20 Jun 2009 10:01:32 +0000</pubDate>
		<dc:creator>Omi Azad</dc:creator>
				<category><![CDATA[আইটি বিশ্ব]]></category>
		<category><![CDATA[উইন্ডোস]]></category>
		<category><![CDATA[মাইক্রোসফট]]></category>
		<category><![CDATA[ইভেন্ট]]></category>
		<category><![CDATA[ঢাকা]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[Bangladesh]]></category>
		<category><![CDATA[Dhaka]]></category>
		<category><![CDATA[Event]]></category>
		<category><![CDATA[microsoft]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://omi.net.bd/?p=415</guid>
		<description><![CDATA[আজ (২০ জুন ২০০৯) বাংলাদেশের সফটওয়্যার শিল্পের ইতিহাসে এক ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেছে। এই প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে মাইক্রোসফট কমিউনিটি (বাংলাদেশ) সারাদিনব্যাপী সফটওয়্যার ডেভলপার/আইটি প্রফেশনালদের নিয়ে এরকম একটি ইভেন্ট আয়োজন করলো। আইডিবি ভবনের অডিটরিয়াম এবং মিটিং রুমে সকাল নয়টা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত উৎসব মুখর পরিবেশে এই ইভেন্ট চলে, যেখানে উপস্থিত ছিলেন দেশের প্রায় আড়াইশজনের বেশী সফটওয়্যার [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img class="alignleft" title="Microsoft Day @ Dhaka" src="http://farm4.static.flickr.com/3333/3662902628_afaf953dbf_o.jpg" alt="" width="292" height="486" />আজ (২০ জুন ২০০৯) বাংলাদেশের সফটওয়্যার শিল্পের ইতিহাসে এক ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেছে। এই প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে মাইক্রোসফট কমিউনিটি (বাংলাদেশ) সারাদিনব্যাপী সফটওয়্যার ডেভলপার/আইটি প্রফেশনালদের নিয়ে এরকম একটি ইভেন্ট আয়োজন করলো। আইডিবি ভবনের অডিটরিয়াম এবং মিটিং রুমে সকাল নয়টা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত উৎসব মুখর পরিবেশে এই ইভেন্ট চলে, যেখানে উপস্থিত ছিলেন দেশের প্রায় আড়াইশজনের বেশী সফটওয়্যার ডেভলপার/আইটি প্রফেশনাল। একসাথে দু’টি ট্র্যাকে পরিচালিত হওয়া এই ইভেন্টটি মাইক্রোসফটের মোস্ট ভেল্যুয়েবল প্রফেসনাল (এমভিপি) এবং মাইক্রোসফট প্রযুক্তিবিদরা পরিচালনা করেন। একটি ট্র্যাক ছিলো ডেভলপারদের জন্য যেখানে মাইক্রোসফটের বর্তমান এবং ভবিষ্যত প্রযুক্তির উপরে আলোকপাত করা হয় এবং পাশাপাশি অন্য ট্র্যাকটি ছিলো সম্পুর্ণ আইটি প্রফেশনালদের জন্য।</p>
<p>সকাল নয়টায় ইভেন্টের শুরুতে সূচনা বক্তব্য রাখেন মাইক্রোসফট বাংলাদেশের জেনারেল ম্যানেজার ফিরোজ মাহমুদ এবং মাইক্রোসফট ইন্ডিয়া থেকে আগত এমভিপি লিড অভিষেক কান্ত। সূচনা বক্তব্য শেষে ইভেন্টের দু’টি ট্র্যাক আলাদা হয়ে যায়। ডেভলপারদের ট্র্যাকে শুরুতেই তানজিম সাকিব এএসপি ডট নেটের এপ্লিকেশন ডেভলপমেন্টের উপরে বক্তব্য রাখেন এবং তারপর এমভিপি মেহফুজ হোসেইন এএসপি ডট নেট প্ল্যাটফর্মে এমভিসি ফ্রেমওয়ার্কের ব্যবহারের উপরে বক্তব্য রাখেন। তারপর এমভিপি কাজী মনজুর রশিদ এমভিসি ব্যবহার করে ইউনিট টেস্টিং প্রদর্শন করেন এবং ওপেনসোর্স এএসপি ডট নেট এমভিসি এপ্লিকেশন ডটনেটসাউটের আভ্যন্তরীন বিষয় আলোচনা করেন। পরে ফয়সাল হোসেন খান মাইক্রোসফটের নতুন ওয়েব প্রযুক্তি সিলভারলাইট ব্যবহারের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা নিয়ে আলোচনা করেন।</p>
<p>মধ্যাহ্ন ভোজের পরে এমজে ফেরদৌস মাইক্রোসফট শেয়ারপয়েন্ট সার্ভারের বিভিন্ন বিষয় প্রদর্শন করেন এবং তার পরে এমভিপি ওমর আল যাবির এএসপি ডটনেট ব্যবহার করে ডেভলপ করা এপ্লিকেশন প্রডাকশনে নিয়ে যাওয়ার বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের কথা আলোচনা করেন। উইন্ডোস ক্লাউড কম্পিউটিং উইন্ডোস আযিউর নিয়ে আলোচনা করেন আশিক মাহতাব এবং উইন্ডোস আযিউরের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা পরিদর্শন করেন। একটি চা চক্র বিরতির পরে এমভিপি মোঃ আশরাফুল আলম ভিজ্যুয়াল স্টুডিও ২০১০ টিম সিস্টেমের উপরে গভীর আলোচনা করেন।</p>
<p>অন্যদিকে আইটি প্রফেশনালদের ট্র্যাকে এম. মনজুরুর রহমান মাইক্রোসফট প্রজেক্ট এবং ইপিএম এর আলোচনার মধ্যমে ট্র্যাকটি শুরু করেন। তার আলোচনা শেষে আনোয়ার হোসেন উইন্ডোস সার্ভার ২০০৮ আরটু নিয়ে কথা বলেন এবং এই বিষয়ে উপস্থিত দর্শকশ্রোতাদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। মধ্যাহ্ন ভোজের পরে এমভিপিরা নতুন নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্মের উপরে একটি ওয়ার্কশপ করেন। এরপরে অনলাইনে মাইক্রোসফট লাইভ মিটিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভারত থেকে সরাসরি অংশগ্রহণ করেন এমভিপি ইসমাইল মোহাম্মদ এবং বক্তব্য রাখেন এক্সচেঞ্জ সার্ভার ২০১০ এর উপরে। তারপরে আবারও ইন্টারনেটের মাধ্যমে আবারো লাইভ মিটিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভারত থেকে এমভিপি অমিত বানসাল এসকিউএল সার্ভার ২০০৮ এর উপরে বক্তব্য রাখেন। অনলাইনে এরকম প্রজেন্টেশন বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম, যা অংশগ্রহণকারীদের জন্য বেশ চাঞ্চল্যকর একটি অনুভুতি ছিলো।</p>
<p>এরকম চাঞ্চল্যকর প্রদর্শনীর পরে এমভিপি অমি আজাদ উইন্ডোস সেভেনের ব্যবহারিক কিছু নমুনা প্রদর্শন করেন এবং প্রতিদিনের কম্পিউটিং-এ কিভাবে উইন্ডোস সেভেন আমাদের অনেক কাজের প্রক্রিয়াকে সহজ করবে তা আলোচনা করেন, পরে ইরতিজা এ. আক্তার মাইক্রোসফটের সর্বশেষ ইন্টারনেট ব্রাউজার ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারে উপরে আলোচনা করেন এবং এর বিভিন্ন উপকারী দিক প্রদর্শন করেন। সেই সাথে তিনি উইন্ডোস লাইভের অনলাইন সেবাসমূহ বর্ণনা করেন।</p>
<p>বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম মাইক্রোসফট কমিউনিটি সরাসরি এরকম একটি ইভেন্টের আয়োজন করলো। ইউরোপ, আমেরিকা এমনকি ভারতেও অহরহ এরকম ইভেন্ট হয়, যা সফটওয়্যার শিল্পের অগ্রগতিতে বিশেষ ভূমিকা রাখে যা আইটি প্রফেশনাল এবং ডেভলপাররা নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য উদ্ভুদ্ধ্য করে। সফটওয়্যার শিল্পে সেবার মান উন্নয়ন করাই থাকে প্রযুক্তিবিদদের চেষ্টা, আর নতুন প্রযুক্তি কিভাবে সব কাজ সহজ করবে এবং এই শিল্পের অগ্রগতিতে সাহায্য করবে সেগুলোর উপর আলোচনার জন্যই বিশ্বব্যাপী এরকম ইভেন্ট এবং কর্মশালা আয়োজন হয়ে থাকে।</p>
<p>ইভেন্টের শেষে মাইক্রোসফট কমিউনিটির প্রতিনিধিরা ঘোষণা দেন যে এটা শুধুই শুরু, ভবিষ্যতে এরকম ইভেন্টের আয়োজন আরও ঘণ ঘণ করার চেষ্ট করা হবে। এর পর থেকে শুধু ডেভলপার বা আইটি প্রফেশনালদের নিয়ে কর্মশালা করা হবেনা, সাধারণ প্রযুক্তিপ্রেমী এবং আগ্রহী ছাত্র-ছাত্রীদেরকেও অগ্রাধিকার দেয়া হবে এবং ছোট পরিসরে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মশালার আয়োজন করা হবে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://omi.net.bd/415/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>8</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>আলো আসবেই!</title>
		<link>http://omi.net.bd/390</link>
		<comments>http://omi.net.bd/390#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 10 Mar 2009 06:56:59 +0000</pubDate>
		<dc:creator>Omi Azad</dc:creator>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[মজারু]]></category>
		<category><![CDATA[আলো]]></category>
		<category><![CDATA[ইন্টারনেট]]></category>
		<category><![CDATA[গ্রামীণফোন]]></category>
		<category><![CDATA[বিদ্যুৎ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://omi.net.bd/?p=390</guid>
		<description><![CDATA[অনেকেই শিরোনাম দেখে বলবে, “অমি আজাদ কি আবোল তাবোল বলে, ঠিক নাই। আলো আবার কি আসবে।” আর গ্রামীণফোন যখন বলে তখন কিন্তু কিছু হয়না। বেশ কিছুদিন থেকেই ভাবছিলাম এই পোস্ট লেখার ব্যাপারে। আমাদের দেশে এখন চলছে বিদ্যুৎ ক্রাইসিস। টেলিভিশনে বলে দিলো সর্বনিম্ন ৪ ঘন্টা থেকে সর্বোচ্চ ১০ ঘন্টা লোড শেডিং হবে। নানা জনে নানা মত [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img class="aligncenter" title="আলো আসবেই" src="http://farm4.static.flickr.com/3609/3343895057_fea51e4cd3_o.jpg" alt="" width="570" height="170" /></p>
<p>অনেকেই শিরোনাম দেখে বলবে, “অমি আজাদ কি আবোল তাবোল বলে, ঠিক নাই। আলো আবার কি আসবে।” আর গ্রামীণফোন যখন বলে তখন কিন্তু কিছু হয়না। <img src='http://omi.net.bd/wp-includes/images/smilies/icon_smile.gif' alt=':)' class='wp-smiley' /> </p>
<p>বেশ কিছুদিন থেকেই ভাবছিলাম এই পোস্ট লেখার ব্যাপারে। আমাদের দেশে এখন চলছে বিদ্যুৎ ক্রাইসিস। টেলিভিশনে বলে দিলো সর্বনিম্ন ৪ ঘন্টা থেকে সর্বোচ্চ ১০ ঘন্টা লোড শেডিং হবে। নানা জনে নানা মত দিচ্ছে এই কথা শুনে। সরকারকে দোষারোপ করছে। সম্পুর্ণ গ্রীষ্মকাল ঠিকমতন না আসতেই এই অবস্থা, দুই মাস পারে যে কি হবে! অনেকেই বলছে সরকার বিদেশ থেকে বিদ্যুৎ আনার নামে টাকা চুরি করবে দেখে কৃত্তিমভাবে এই অবস্থা তৈরী করে রেখেছে। সাধারণ মানুষ কিন্তু সত্যই কিছু জানে না, শুধুই অপেক্ষা করতে জানে আর ভুলতে জানে। কাল সব ঠিক হয়ে গেলে সবাই ভুলে যাবে যে সরকার টাকা চুরি করলো, না সব ঠিক হয়ে গেলো।</p>
<p>তবে সব সমস্যার সমাধান নিয়ে এসেছে গ্রামীণফোন, তাদের নতুন ইন্টারনেট পণ্য “আলো আসবেই” নাম নিয়ে। পত্রপত্রিকায় বা রাস্তার বিলবোর্ডে এরই মধ্যে সবাই দেখেছেন যে জানালা ভেদ করে আলো চলে আসছে। গ্রামীণফোন ইন্টারনেট থাকতে কিন্তু আমাদের আর কোনো টেনশন নাই। ডেসা/ডেসকো/পিডিবি/পল্লী বিদ্যুৎ কাউকেই আর লাগবে না আমাদের। রাতে বিদ্যুৎ না থাকলে আমাদের পাশে থাকবে গ্রামীণফোন ইন্টারনেট, আলো আনবেই,<br />
শালার আলো যাবে কোথায়!</p>
<p>সুতরাং আমরা বিদ্যুৎহীন অন্ধকার অবস্থা কাটানোর জন্য জেনারেটর বা আইপিএস-এর পেছনে অযৌক্তিক টাকা নষ্ট না করে গ্রামীণফোন ইন্টারনেট নিয়ে নেই! আর কিভাবে কি করতে হবে সেটা জানার জন্য যে কোনো গ্রামীণফোন থেকে ১২১ নম্বরে ফোন করলেই হবে।</p>
<p>আলোতে থাকুন, আমি এখনো পারি নাই, হয়তো আপনারা পারবেন। পারলে অনুগ্রহ করে মন্তব্যে জানান।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://omi.net.bd/390/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>46</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি ২০০৮</title>
		<link>http://omi.net.bd/337</link>
		<comments>http://omi.net.bd/337#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 04 Jan 2009 21:13:57 +0000</pubDate>
		<dc:creator>Omi Azad</dc:creator>
				<category><![CDATA[আইটি বিশ্ব]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ইন্টারনেট]]></category>
		<category><![CDATA[তথ্যপ্রযুক্তি]]></category>
		<category><![CDATA[নীতিমালা]]></category>
		<category><![CDATA[সফটওয়্যার]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://omi.net.bd/?p=337</guid>
		<description><![CDATA[২০০৮ সালে বাংলাদেশে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির (আইসিটি) ব্যবহার কেমন ছিল, এ খাতের উন্নয়ন ও অগ্রগতি কেমন হলো−এসব হিসাব-নিকাশ করার সময় এখন। নানা ঘটনা ঘটেছে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে। অন্যান্য ক্ষেত্রেও দেখা গেছে তথ্যপ্রযুক্তির নানা রকম ব্যবহার। আবার অনেক কিছুই প্রত্যাশা অনুযায়ী পূরণ হয়নি গত বছর। সব মিলিয়ে বাংলাদেশে তথ্যপ্রযুক্তির অবস্থা কেমন গেল ২০০৮ সালে তাই বলেছেন [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img class="alignright" src="http://farm2.static.flickr.com/1234/754885177_5f602a01e5_o.jpg" alt="" width="380" height="220" />২০০৮ সালে বাংলাদেশে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির (আইসিটি) ব্যবহার কেমন ছিল, এ খাতের উন্নয়ন ও অগ্রগতি কেমন হলো−এসব হিসাব-নিকাশ করার সময় এখন। নানা ঘটনা ঘটেছে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে। অন্যান্য ক্ষেত্রেও দেখা গেছে তথ্যপ্রযুক্তির নানা রকম ব্যবহার। আবার অনেক কিছুই প্রত্যাশা অনুযায়ী পূরণ হয়নি গত বছর। সব মিলিয়ে বাংলাদেশে তথ্যপ্রযুক্তির অবস্থা কেমন গেল ২০০৮ সালে তাই বলেছেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী</p>
<p><strong>তথ্যপ্রযুক্তি নীতিমালা</strong><br />
২০০৮ সালে তথ্যপ্রযুক্তির উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির মধ্যে আছে তথ্যপ্রযুক্তি নীতিমালা। ২০০২ সালে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির (আইসিটি) যে নীতিমালা তৈরি করা হয়েছিল সেটাকে হালনাগাদ করার জন্য সরকার একটি কমিটি গঠন করে।সে কমিটি প্রায় তিন মাস কাজ করে একটি নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করে। যদিও সরকার আশা করেছিল আগের নীতিমালায় কী কী পরিবর্তন প্রয়োজন তা ঠিক করে দেওয়ার জন্য। কিন্তু নীতিমালা প্রণীত হওয়ার পর প্রযুক্তি এতটাই এগিয়ে গেছে যে কমিটি সিদ্ধান্ত নেয় নতুন একটি নীতিমালা করার জন্য। এটা করে সরকারের হাতে দেওয়া হয়েছে প্রায় দুই মাস আগে। ২০০২ সালের নীতিমালার সঙ্গে এ নীতিমালার একটি মৌলিক পার্থক্য হলো এখানে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের লক্ষ্যমাত্রা ও করণীয়গুলো আরও সুনির্দিষ্টভাবে দেওয়া হয়েছে। দেখা গেছে, এতে সুনির্দিষ্ট সময় উল্লেখ করে প্রায় ৩০০টি বিষয়ে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা আছে। বিভিন্ন লক্ষ্যমাত্রা এখানে স্বল্প মেয়াদি, মাঝারি, দীর্ঘ ইত্যাদি ভাগে ভাগ করে দিয়েছি। সময়ের উল্লেখ ছাড়াও এখানে বলে দেওয়া আছে, এর বাস্তবায়নে ঠিক কার কী করতে হবে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সঙ্গে আলোচনায় আমার মনে হয়েছে, তারা এটা করে যেতে চাচ্ছিল। কিন্তু আর তো সময় নেই তাদের। এখানে কিছু সমস্যাও ছিল। কোনো নীতিমালা প্রণয়নের ক্ষমতা এ সরকারের ছিল কি না সে বিষয়েও সন্দেহ করে অনেকে।</p>
<p>নির্বাচিত সরকার এলে আমি আশা করব, তারা এটা অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে বিবেচনা করে খুব তাড়াতাড়ি গ্রহণ করে নেবে। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে যে মহাজোট সরকার গঠন করতে যাচ্ছে, তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে পরিষ্ককারভাবে বলা আছে, ২০২১ সালের মধ্যে তারা তথ্যপ্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ একটি ডিজিটাল বাংলাদেশ দেখতে চায়। এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সহায়ক হবে নীতিমালা প্রণয়নের বিষয়টি।</p>
<p>দুর্ভাগ্যবশত গত দুই বছরে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রতি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের যে গুরুত্ব দেওয়ার কথা ছিল তার প্রতিফলন আমরা দেখিনি। এ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে বিশেষ সহকারী ছিলেন একজন, তাঁর আগে দায়িত্বে থাকা উপদেষ্টার অনেক দায়িত্বের মধ্যে ছিল তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।</p>
<p><strong>ইন্টারনেটের দাম কমেছে</strong><br />
গত কিছুদিনে আমাদের অর্জনের মধ্যে একটা হলো যে ইন্টারনেট ব্যবহার তথা ব্যান্ডউইডথের দাম কমেছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় ইন্টারনেট সহজলভ্য হচ্ছে। গত বছর তারহীন যোগাযোগ প্রযুক্তি ওয়াই-ম্যাক্সের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। আগামী দুই-তিন মাসের মধ্যে এর সুফলও পাওয়ার কথা। এ ছাড়া ইন্টারনেট টেলিফোনি বা ভিওআইপির লাইসেন্সও দেওয়া হয়েছে। এর ব্যবহার পুরোপুরি শুরু হলে আন্তর্জাতিক যোগাযোগে আমাদের বেশ উন্নতি হবে।</p>
<p><strong>নির্বাচনের বছরে তথ্যপ্রযুক্তি</strong><img class="alignright" title="যোগাযোগ" src="http://farm2.static.flickr.com/1408/1051067747_7c287eb862_o.jpg" alt="" width="368" height="487" /><br />
২০০৮ সালের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এখানে উল্লেখ করার মতো বিষয় হলো রাজনৈতিক দলগুলো তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে তথ্যপ্রযুক্তির বিষয়টিকে এনেছে। যদিও এর মধ্যে কমবেশি ছিল। অনেক দল দায়সারাভাবে অনেকটা না বুঝে এ বিষয়টি এনেছে। আমার ধারণা, আমাদের তরুণ প্রজন্ন তাদের সমর্থন দিতে তথ্যপ্রযুক্তির বিষয়টিকেও বিবেচনায় এনেছে। আরেকটা বড় কাজ হয়েছে। আমাদের জাতীয় পরিচয়পত্রের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে গত বছর, এর কাজ শুরু হয়েছিল ২০০৭ সালে। আমরা একটা সমৃদ্ধ তথ্যভান্ডার পেয়েছি এর মাধ্যমে। ছবিসহ ভোটার তালিকার কাজটিও হয়েছে বেশ ভালোভাবে। তবে আমার মনে হয়, জাতীয় পরিচয়পত্রে যে ধরনের নিরাপত্তা বিষয় ও তথ্যধারণের কথা ছিল বা ছবির যে গুণগত মান থাকা উচিত ছিল তা এ স্বল্পমূল্যের প্রযুক্তি দিয়ে সম্ভব হয়নি অনেকটাই। এ জন্যই হয়তো বেশির ভাগ লোকেরই এ নিয়ে কিছুটা অসন্তোষ আছে। এটাকে জাতীয় পরিচয়পত্র করতে হলে আরও কিছু কাজ করতে হবে।তবে তথ্যভান্ডারটা অনেক কার্যকর একটা বিষয়। এ বিষয়টি দেখভালের জন্য আলাদা একটা বিভাগও করেছে সরকার। তথ্যভান্ডারের এমন কাজ বিশ্বের অনেক উন্নত দেশও করতে পারেনি। আমরা স্বল্প খরচে কম সময়ে এটা করতে পেরেছি। ভোটার তালিকা থেকে যে এক কোটির ওপরে ভুয়া ভোটারের নাম বাদ গেল, এটা সম্ভব হয়েছে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলেই। এখানে আরেকটি বিষয় হলো, বাংলাদেশের আট কোটির বেশি ভোটার এ উপলক্ষে প্রত্যেকেই একবার হলেও কম্পিউটারের সামনে গিয়েছেন। এই যে অনেকেই কম্পিউটার দেখলেন এবং কম্পিউটারের ক্ষমতা জানলেন, এটা কম্পিউটার সম্পর্কে সচেতনতা ও জনপ্রিয়তা বাড়াতে কাজ করবে, বিশেষ করে ভবিষ্যতে আমরা যখন এ প্রযুক্তিকে সবার কাছে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করব। এ বছর তথ্যপ্রযুক্তির মেলাগুলোও বেশ বড় পরিসরে হয়েছে।</p>
<p><strong>শিক্ষায় নেই অগ্রগতি</strong><br />
গত বছর তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষায় তেমন কোনো অগ্রগতি হয়নি। কম্পিউটার বিজ্ঞান, কম্পিউটার প্রকৌশল ইত্যাদি বিষয়ে একসময় শিক্ষার্থীদের যে প্রবল আগ্রহ দেখা যেত, এখন তা দেখা যায় না। কম্পিউটার শিক্ষার প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ যে ক্রমাগত কমছে, আমার ধারণা, গত বছরও তা অব্যাহত ছিল। এ জায়গাটায় বড় ধরনের পরিবর্তন হওয়া দরকার। তথ্যপ্রযুক্তির বিরাট সুযোগ কাজে লাগাতে এ খাতে একটা বড় জনশক্তি লাগবে আমাদের। তবে ইদানীং টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তির প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বাড়ছে। এটা হয়তো বাংলাদেশে চলমান চাকরির বাজারের জন্যই।</p>
<p><strong>ই-গভর্নেন্সে অগ্রগতি</strong><br />
ই-গভর্নেন্সে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে এ বছর। এখন বাংলাদেশের গেজেটগুলো ওয়েবসাইটে পাওয়া যাচ্ছে। এটা হয়েছে রেগুলেটরি রিফর্ম কমিশনের সুপারিশে, যদিও আইসিটি টাস্কফোর্সের পক্ষ থেকে আমরা এটা অনেক আগেই সুপারিশ করেছিলাম। সরকারি বিভিন্ন নীতিমালা, ফরম ও তথ্য এখন ওয়েবসাইটে পাওয়া যাচ্ছে। এ ছাড়া স্বাধীনতার পর থেকে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে যত আইন প্রণীত হয়েছে, সবই এখন ওয়েবে পাওয়া যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি আইনজীবীদের খুব কাজে আসবে এটি। হয়তো ভবিষ্যতে বিভিন্ন মামলার বিস্তারিত তথ্যও তুলে দেওয়া সম্ভব হবে। সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটও আগের চেয়ে অনেক তথ্যবহুল হয়েছে। নির্বাচন কমিশন কিংবা বাংলাদেশ সরকারের ওয়েবসাইটের চেহারা এখন বেশ দেখার মতো হয়েছে।</p>
<p><strong>সফটওয়্যার রপ্তানিতে গতি দ্রুত নয়</strong><br />
তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবসা খাতে সফটওয়্যার রপ্তানি হয়তো কিছুটা বেড়েছে, কিন্তু সেটা যথেষ্ট দ্রুতগতিতে হচ্ছে না। এখানে আশানুরূপ সফলতা পাচ্ছি না। কিছুদিনের মধ্যে হয়তো কলসেন্টারের সুযোগটা আমরা ধরতে পারব। এ জন্যও প্রস্তুতি দরকার এখন থেকেই। তবে ইউরোপীয় কিছু প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে কাজ দিচ্ছে।</p>
<p>ব্যাংকসহ বিভিন্ন ব্যবসা ক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ছে। এটা অনেকটা বিশ্বের সঙ্গে তাল মেলাতেই। মোবাইল ফোন ব্যবহার করে বিল পরিশোধসহ বেশ কিছু সেবা খাতে কিছুটা অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে।</p>
<p><strong>প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন চাই</strong><br />
আমাদের প্রত্যাশা, নতুন বছর নতুন সরকার তথ্যপ্রযুক্তি খাতে তাদের প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের জন্য কাজ করবে। এর মধ্যে সবার আগে তারা হাইটেক পার্কের কথা ভাবতে পারে। যেহেতু ২০০১ সালে এর পরিকল্পনার সঙ্গে আমি জড়িত ছিলাম, আমার খুবই খারাপ লাগে যখন দেখি যে এর কোনো অগ্রগতি হয় না। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পর এর কাজও থেমে গেছে। এ সরকার অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে হাইটেক পার্ককে বিবেচনায় আনবে বলে আমার বিশ্বাস। আর তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষা খাতে সরকারের বরাদ্দ আরও বাড়ানো উচিত। আরেকটি বিষয় সরকার বিবেচনা করতে পারে, যেটি আমার কাছে অনেক সময় জগাখিচুড়ি বলে মনে হয়। আগে ছিল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। সেটাকে হঠাৎ নাম বদলে করা হলো বিজ্ঞান এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। এটাকে আমি বলি &#8220;কসমেটিক চেঞ্জ&#8221;। এখানে স্বভাবতই প্রশ্ন আসে, অন্য প্রযুক্তি গেল কোথায়? সে জন্য আমার মনে হয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মতো বিস্তৃত এ বিষয়টিকে আলাদা মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিয়ে বেশিগুরুত্ব দেওয়া দরকার এখনই।</p>
<p>লিখেছেন জাবেদ সুলতান পিয়াস, ২ জানুয়ারি ২০০৮ এর দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকায়</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://omi.net.bd/337/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>2</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>আমরা কেমন কম্পিউটার কিনছি!</title>
		<link>http://omi.net.bd/227</link>
		<comments>http://omi.net.bd/227#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 02 Jun 2008 20:00:45 +0000</pubDate>
		<dc:creator>Omi Azad</dc:creator>
				<category><![CDATA[আইটি বিশ্ব]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[মন্তব্য]]></category>
		<category><![CDATA[কম্পিউটার]]></category>
		<category><![CDATA[বাজার]]></category>
		<category><![CDATA[মেমরি]]></category>
		<category><![CDATA[Bangladesh]]></category>
		<category><![CDATA[computer]]></category>
		<category><![CDATA[market]]></category>
		<category><![CDATA[memory]]></category>
		<category><![CDATA[ram]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://omi.net.bd/?p=227</guid>
		<description><![CDATA[আমরা সস্তা কম্পিউটার কিনতে পছন্দ করি! কথাটা গত বিসিএস কম্পিউটার মেলায় এক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা বলেছিলেন। উনার প্রতিষ্ঠান মাত্র প্রায় ৳১২,০০০/- তে একটা সিপিউ বিক্রি করছে। ভেতরে কি আছে দেখতে পারি নাই ব্যাস্ততার কারণে। তবে প্রচুর দর্শকদের আগ্রহ ছিলো সেই কম্পিউটার সিপিউটির প্রতি। যখন মাত্র ৳১২,০০০/- তে একটি সম্পুর্ণ সিপিউ কিনতে পারা যায়, তার অর্থ এই [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><a title="Click to see larger size" href="http://farm3.static.flickr.com/2371/2545291229_6f879e35e5_o.jpg" target="_blank"><img class="alignleft" style="float: left;" src="http://farm3.static.flickr.com/2371/2545291229_6f879e35e5_o.jpg" alt="Click to see larger size" width="271" /></a>আমরা সস্তা কম্পিউটার কিনতে পছন্দ করি! কথাটা গত বিসিএস কম্পিউটার মেলায় এক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা বলেছিলেন। উনার প্রতিষ্ঠান মাত্র প্রায় ৳১২,০০০/- তে একটা সিপিউ বিক্রি করছে। ভেতরে কি আছে দেখতে পারি নাই ব্যাস্ততার কারণে। তবে প্রচুর দর্শকদের আগ্রহ ছিলো সেই কম্পিউটার সিপিউটির প্রতি।</p>
<p>যখন মাত্র ৳১২,০০০/- তে একটি সম্পুর্ণ সিপিউ কিনতে পারা যায়, তার অর্থ এই না যে পৃথিবীতে সিলিকনের দাম কমে গিয়েছে আর আমরা সেজন্য কমদামে জিনিস পাচ্ছি। কমদামে জিনিস কেনার অর্থ এই যে আমরা একটি নিম্নমানের পণ্য কিনছি।</p>
<p>কিভাবে একটু বিশ্লেষণ করি। আমি সাধারণত আমার ব্যবহারের জন্য কম্পিউটারের মালামাল বিদেশ থেকে আমদানী করি (এর জন্য আমি আমার মাইক্রোসফটের বন্ধুরা এবং আমার বন্ধুদের আত্মীয় স্বজনদের কাছে কৃতজ্ঞ)।পাশের ছবিতে যেই রেমগুলি দেখা যাচ্ছে সেগুলি আমার বাসার কম্পিউটারগুলিতে ব্যবহৃত হয়। উপরেরটা OCZ Reaper HPC Edition যার একজোড়ার দাম $১৭৫ (আমেরিকান), বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ৳১২,০০০/- এক প্যাকেটে একজোড়া থাকে এবং একজোড়াতে ৪ গিগা মেমরি হয়।</p>
<p>২য়টি নাম US Modular Coldfusion, যার একজোড়ার দাম $১৯৮ (আমেরিকান), অর্থাৎ বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ৳১৩,০০০/- এক প্যাকেটে একজোড়া থাকে এবং একজোড়ায় ৪ গিগা মেমরি হয়।</p>
<p>তার পরেরটা সবচাইতে দামী Crucial Ballistix, এক জোড়ার দাম $৪৫৬ (আমেরিকান), অর্থাৎ বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ৳৩১,০০০/- এবং এর এক প্যাকেটে এক জোড়া থাকে এবং এক জোড়ায় ২ গিগা মেমরি হয়।</p>
<p>আমাদের দেশে মাত্র ৳৩,০০০/- দিয়ে চার গিগা মেমরি কেনা সম্ভব এবং সেটা লাগিয়ে উইন্ডোস ভিস্তার মত অপারেটিং সিস্টেম ইসন্টল করে আমরা মন্তব্য করি, &#8220;শালা কি অপারেটিং সিস্টেম বানাইছে, চরম স্লো!&#8221; আসলেই কি তাই? আপনি কি কিনেছেন আর কি চালাচ্ছেন সেটা একটু বিবেচনা করবেন না?</p>
<p>বেশ কিছুদিন আগে আমার এক কলিগ মন্তব্য করেছিলো যে বাংলাদেশে কম্পিউটারের যা মাল পাওয়া যায় সেগুলার শুধু অঙ্কই বেড়েছে, পারফরমেন্স বাড়েনি। উনার বক্তব্য হচ্ছে আমাদের এখানে বর্তমান বাজারের ২ গিগা মেমরি, উনার ৫১২ মেগার সমান পারফরমেন্স দিতে পারে না। কথাটা কিছুটা হলেও সত্যি।</p>
<p>তবে আমাদের বাজারে যে ভালো জিনিস পাওয়া যায়না তা কিন্তু না। কিন্তু যারা বিক্রি করে এরা কুড়াল দিয়ে কোপ দেয়ার মত দাম চায়। যেটা $৪০০ দাম সেটা চায় $১৪০০, যাতে একবারের সব লগ্নি ফেরৎ আসে। একটু সততার সাথে ব্যবসা করলেই কিন্তু আমরা ভালো জিনিস কিনতে পারি।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://omi.net.bd/227/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>18</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>বোকাদের বোকা*দা বানেচ্ছে গ্রামীণফোণের ব্ল্যাকবেরি অফার</title>
		<link>http://omi.net.bd/223</link>
		<comments>http://omi.net.bd/223#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 19 May 2008 18:55:06 +0000</pubDate>
		<dc:creator>Omi Azad</dc:creator>
				<category><![CDATA[আইটি বিশ্ব]]></category>
		<category><![CDATA[পরামর্শ]]></category>
		<category><![CDATA[মন্তব্য]]></category>
		<category><![CDATA[Aktel]]></category>
		<category><![CDATA[ASUS]]></category>
		<category><![CDATA[অপারেটর]]></category>
		<category><![CDATA[আসুস]]></category>
		<category><![CDATA[ইমেইলের]]></category>
		<category><![CDATA[ইয়াহু]]></category>
		<category><![CDATA[উইন্ডোস মোবাইল]]></category>
		<category><![CDATA[এইচটিসি]]></category>
		<category><![CDATA[একটেল]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়ারিদ টেলিকম]]></category>
		<category><![CDATA[গুগল্]]></category>
		<category><![CDATA[গ্রামীণফোন]]></category>
		<category><![CDATA[জিমেইল]]></category>
		<category><![CDATA[নেটওয়ার্ক]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলালিঙ্ক]]></category>
		<category><![CDATA[বিটিআরসি]]></category>
		<category><![CDATA[ব্ল্যাকবেরি]]></category>
		<category><![CDATA[মোবাইল অপারেটর]]></category>
		<category><![CDATA[ম্যাসেঞ্জার]]></category>
		<category><![CDATA[সিটিসেল]]></category>
		<category><![CDATA[হটমেইল]]></category>
		<category><![CDATA[Bangladesh]]></category>
		<category><![CDATA[Banglalink]]></category>
		<category><![CDATA[Blackberry]]></category>
		<category><![CDATA[BTRC]]></category>
		<category><![CDATA[Citycell]]></category>
		<category><![CDATA[Email]]></category>
		<category><![CDATA[Gmail]]></category>
		<category><![CDATA[Google]]></category>
		<category><![CDATA[Grameenphone]]></category>
		<category><![CDATA[Hotmail]]></category>
		<category><![CDATA[HTC]]></category>
		<category><![CDATA[Mobile]]></category>
		<category><![CDATA[MSN Messenger]]></category>
		<category><![CDATA[Network]]></category>
		<category><![CDATA[Operator]]></category>
		<category><![CDATA[Skype]]></category>
		<category><![CDATA[Warid]]></category>
		<category><![CDATA[Windows Mobile]]></category>
		<category><![CDATA[Yahoo]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://omi.net.bd/?p=223</guid>
		<description><![CDATA[গ্রামীণফোন বাংলাদেশের বড় মোবাইল কোম্পানী। অনেক ভালো সেবা দিয়েছে অনেকদিন ধরে আমাদের। কিন্তু শোষণও করেছে আমাদের এবং এখনো করছে। বাংলাদেশের সবচাইতে বেশী কলচার্জ এই মোবাইল অপারেটরের। বলে বিস্তৃত নেটওয়ার্ক। এখন আবার কোনো অপারেটরের নেটওয়ার্কে সমস্যা আছে? বিটিআরসির নির্দেশে তো খাগড়াছড়ি এবং হিলস্ পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে সবার নেটওয়ার্ক। হিলস থেকে এক বন্ধু ফিরে জানালো সেখানে সিটিসেল, [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img class="alignleft" style="float: left;" src="http://farm3.static.flickr.com/2133/2506156812_530fb3539a_o.jpg" alt="" /><a href="http://www.grameenphone.com/" target="_blank">গ্রামীণফোন</a> বাংলাদেশের বড় মোবাইল কোম্পানী। অনেক ভালো সেবা দিয়েছে অনেকদিন ধরে আমাদের। কিন্তু শোষণও করেছে আমাদের এবং এখনো করছে। বাংলাদেশের সবচাইতে বেশী কলচার্জ এই মোবাইল অপারেটরের। বলে বিস্তৃত নেটওয়ার্ক। এখন আবার কোনো অপারেটরের নেটওয়ার্কে সমস্যা আছে? বিটিআরসির নির্দেশে তো খাগড়াছড়ি এবং হিলস্ পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে সবার নেটওয়ার্ক। হিলস থেকে এক বন্ধু ফিরে জানালো সেখানে <a href="http://citycell.com" target="_blank">সিটিসেল,</a> <a href="http://www.waridtel.com.bd/" target="_blank">ওয়ারিদ,</a> <a href="http://aktel.com" target="_blank">একটেল</a> পৌছে গ্যাছে, খবর নাই <a href="http://banglalinkgsm.com" target="_blank">বাংলালিঙ্ক</a> আর আমাদের সেরানেটওয়ার্ক দাবীদার গ্রামীণফোণের। হয়তো অনেক ভালো মালামাল লাগাবে বলে আমদানী করতে দেরী হচ্ছে বা <a href="http://www.telenor.com/about/" target="_blank">টেলিনরের</a> কোথাও কোনো বাতিল মাল পাওয়া যাচ্ছে না যেটা এনে লাগাবে। শালারা অন্যদেশের রিজেক্ট মাল এনে লাগিয়ে নেটওয়ার্ক বিস্তার করেছে আর এখন এতই খারাপ অবস্থা যে জিপি জিপি ঠিকমতন কথা বলা যায় না।</p>
<p>যাই হোক, অনেকদিন হলো কথাটা বলবো বলবো করে বলা হচ্ছে না। আইটির সাথে জড়িত থাকায় শুরু থেকেই অনেকে প্রশ্ন করছে যে গ্রামীণফোন <a href="http://www.grameenphone.com/index.php?id=358" target="_blank">এত্তসব সুবিধা সম্বলিত ব্ল্যাকবেরি সেট</a> দিচ্ছে সেটা কিনবে কি-না। মানুষের তো আর টাকার অভাব নাই। আর সেটা বুঝতে পেরেই গ্রামীণের এই সব আজাইড়া অফার। গ্রামীণফোণের এই ভাওতাবাজির ফাঁদে অনেকেই পা দিচ্ছে। তাদের কথা হচ্ছে এই সেট কিনলে ইমেইলের সুবিধা পাবেন, ভালো অর্গানাইজার পাবেন। এত ভালো অর্গানাইজার যে সেটা অর্গানাইজ করতে আবার একজন পিএস রাখতে হবে! যাই হোক, আসল কথায় ফিরে যাই।</p>
<p>আমি ইন্টারনেট সংযোগ সম্বলিত একটা সাধারণ নোকিয়া সেট দিয়েই কিন্তু ইমেইলের সুবিধা ভোগ করতে পারি। জিমেইল, হটমেইল, ইয়াহুর জন্য জাভা ভিত্তিক ক্লায়েন্ট আছে। বা থার্ড পার্টি ক্লায়েন্ট দিয়েও সেই মেইলগুলি ব্যবহার করা যায়। আবার ৪০০০ টাকা দামের চাইনিজ সেটেও কিন্তু এখন ভালো অর্গানাইজার আছে। এমন কি মিটিং-এর আলোচনা পর্যন্ত রেকর্ড করে রাখা যায় ক্যালেন্ডারের মধ্যেই। তো কেনো আমি এই ব্ল্যাকবেরি সেট ব্যবহার করবো আর সেটা ব্যবহারের জন্য শালাদের বাড়তি টাকা দেবো!</p>
<p>আসল কথা হচ্ছে আমরা অনেকেই জানিনা মোবাইলের মধ্যেই যে সুবিধাগুলি উপলব্ধ আছে। আমার মোবাইলে অপেরা ব্রাউজার লাগানো থাকলে পৃখিবীর যে-কোনো ওয়েবমেইল আমি ব্যবহার করতে পারছি। গুগল্ নিজেই দিচ্ছে গুগল্ মেইল বা জিমেইল ক্লায়েন্ট মোবাইলের জন্য। আবার আপনার ডোমেইন যদি জিমেইলে হোস্ট করা থাকে, সেটাও ব্যবহার করতে পারছেন আরেকটা গুগল্-এর ক্লায়েন্ট সফ্টওয়্যার দিয়ে। তো আমরা যারা প্রযুক্তিকে জানিনা, তারা কিন্তু প্রযুক্তিকে ভয় পাই। এখনো পাড়ার দোকানগুলি ভাইরাস আক্রান্ত কম্পিউটার ফরম্যাট দিয়ে পাইরেটেড উইন্ডোস ইনস্টল করে দিতে ১০০০ টাকা বিল করে এবং আমাদেরই ভাই/বোন/বন্ধুরা সেটা দিয়ে যাচ্ছে নির্বিকারে।</p>
<p>ঠিক গ্রামীণেরও এই অবস্থা! যারা বোকা, তাদেরকে বোকাচোদা বানাচ্ছে একটা ফালতু সেট ধরিয়ে দিয়ে। ভাই আপনি এইচটিসি বা আসুস কোম্পানীর <a href="go.microsoft.com/?linkid=6213461" target="_blank">উইন্ডোস অপারেটিং সিস্টেম</a> সম্বলিত মোবাইল পাবেন ২৫০০০ থেকে ৩৫০০০ টাকায়। সেটাতে উইন্ডোজের যাবতীয় সফটওয়্যারকে পোর্ট করা হয়েছে। এটাচ্‌মেন্টসহ মেইল আসলে সেটাও খুলে দেখতে পারবেন। মিটিং-এ এই সেট দিয়ে প্রেজেন্টেশন দেখাতে পারবেন কম্পিউটার ছাড়া। আছে লাইভ ম্যাসেঞ্জার ব্যবহারের সুবিধা, স্কাইপি ব্যবহারের সুবিধা। আরও থাকছে ফায়ারফক্সের নির্মাতা মোজিলা প্রজেক্টের ব্রাউজার <a href="http://www.mozilla.org/projects/minimo/" target="_blank">মিনিমো</a> এবং <a href="http://www.microsoft.com/windowsmobile/software/iemobile.mspx" target="_blank">ইন্টারনেট এক্সপ্লোডার</a> তো আছেই। কি নাই সেই সেটগুলিতে! আর ফালতু এক ব্ল্যাকবেরি সেট কিনবেন প্রায় সমান বা তার চাইতেও বেশী দামে যেটা দিয়ে ঐ এক মেইল চেক করা ছাড়া তেমন কিছুই করা যায় না। হ্যাঁ আমি স্বীকার করছি যে সমান কিছু সুবিধা ব্ল্যাকবেরিতে আছে, কিন্তু আমি কেনো এইচটিসি না কিনে ওটা কিনবো? আমি কেনো ব্ল্যাকবেরি কিনে গ্রামীণকে সার্ভিসচার্জ দেবো?</p>
<p>শেষবারের মতন ব্ল্যাকবেরি কিনতে ইচ্ছুক বন্ধুদের বলতে চাই ভাবিয়া করিও কাজ, করিয়া ভাবিও না।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://omi.net.bd/223/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>26</slash:comments>
		</item>
	</channel>
</rss>

